- ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ২৭২ পয়েন্ট
- সিএসইতে কমেছে ৮২৩ পয়েন্ট
- যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাবে বিনিয়োগকারীরা
ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই দেশের পুঁজিবাজারে বড় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে গত দুইদিনে ডিএসসির প্রধান সূচক প্রায় ২৭২ পয়েন্ট কমেছে। পাশাপাশি সিএসইর প্রধান সূচক ৮২৩ পয়েন্ট কমেছে। কিন্তু রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধের সঙ্গে এমন পতনের যৌক্তিকতা খুঁজে পাচ্ছেন না পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব কাজ করছে। রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধের কিছু প্রভাব বিশ্বে পড়লেও দেশ নিরাপদে আছে। কাজেই দেশের পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারীদের হতাশা না হওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
গতকাল রবিবার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৬৩ দশমিক ২৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৬৭৬ দশমিক ১৪ পয়েন্টে। ডিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৩০ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪৭ দশমিক ০৭ পয়েন্ট ১ দশমিক ৮৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৪৫ দশমিক ১৪ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ৪৬৭ দশমিক ৯০ পয়েন্টে।
ডিএসইতে রবিবার টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৯১৬ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৫০ কোটি ২৮ লাখ টাকার।
ডিএসইতে ৩৭৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০টির শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ৩৬৫টির এবং ৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক সিএএসপিআই এদিন ৪৯০ দশমিক ১৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৫০০ দশমিক ৩৬ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ৩০৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৮টির, কমেছে ২৮৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টির দর। রবিবার সিএসইতে ৩৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।








