- ধামইরহাটের মঙ্গলখাল-ঘুকসী খাড়ি খনন জরুরি
ধামইরহাট উপজেলার মঙ্গলখাল ও ঘুকসী খাড়ী খনন না করায় প্রায় ৪ হাজার কৃষক সেচসহ বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ঘুকসী খাড়ীর উজানে চকশব্দল থেকে শুরু হয়ে ১৪ কিমি. দূরত্ব শেষে ভাটিতে নেউটার মোহনায় মিলিত হয়। ইতিমধ্যে গত ২০১৯-২০ অর্থ বছরে টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভাটিতে ৩ কিমি. খনন হওয়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় দেড় হাজার কৃষক উপকৃত হচ্ছে। একইভাবে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মঙ্গলখালের ভাটিতে ৪ কিমি. খনন করা হয় যে কারণে প্রায় ২ হাজার কৃষক উপকৃত হচ্ছে। সরকারি বিধি মোতাবেক ঘুকসি খাড়ী পানি ব্যাবস্থাপনা সমবায় সমিতি এবং মঙ্গলখাল পানি ব্যাবস্থাপনা সমবায় সমিতি কর্তৃপক্ষ নিজ নিজ খাল-খাড়ী পরিচর্যা চালিয় যাচ্ছে। ঘুকসী খাড়ির অবশিষ্ট ১০ কিলোমিটার ও মঙ্গল খালের ৬ কিলোমিটার খনন করা হলে ভূ-গর্ভস্থ্য পানির পরিবর্তে ভূ-উপরিভাগের পানির ব্যাবহার বৃদ্ধি পাবে। যেটি পরিবেশের জন্যও সুখকর। সেই সঙ্গে ২টি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার কৃষক উপকৃত হবে। খালের দু’পার্শ্বের স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, খননকৃত খাড়ী-খালে সারা বছর মাছ পাওয়া যায়, কেউ হাঁস চাষ করে লাভবান হচ্ছে। আবার ওই খাল-খাড়ী থেকে রবি মৌসুমে কৃষক পানি সেচ দিয়ে আলু, সরিষা, গম, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন রবিশষ্য চাষাবাদ করে ব্যাপক উপকৃত হচ্ছে। এছাড়াও বর্ষাকালে দ্রুত পানি নিস্কাশন হওয়ায় বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানির পচন থেকে কৃষকের ধানক্ষেত রক্ষা পায়।
খাল-খাড়ী খনন বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আলী হোসেন জানান, খালদুটির পলি জমা হওয়া অংশের পূনঃখনন করা হলে কার্যকরভাবে পানিধারণ সম্ভবপর হবে এবং কৃষি, মৎস্য ও গবাদি পশুপালনের ক্ষেত্রও তৈরি হবে। এতে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য প্রকল্প এলাকার জনগণের দারিদ্র বিমোচন কিছুটা হলেও সম্ভব হবে।








