গত মৌসুমে হালদা নদী থেকে মাছের ডিম প্রত্যাশিত পরিমাণে সংগ্রহ করা যায়নি। এর মূল কারণ অনাবৃষ্টি। কিন্তু চলতি বছরে চট্টগ্রামে এপ্রিল থেকেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। প্রানঘাতী করোনা ভাইরাসের জন্য এক মাস ধরে শিল্প-কারখানা বন্ধ থাকায় নদীর দূষণ কমেছে। তাই জেলেসহ সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন এবার ডিম সংগ্রহ বাড়তে পারে। তারা জানান, এই বছর রেকর্ড পরিমাণ ডিম সংগ্রহ হতে পারে হালদা থেকে।
দেশে স্বাদু পানির কার্পজাতীয় মাছের প্রধান প্রজননক্ষেত্র হালদা নদী। পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে উৎপন্ন এ নদী প্রায় ৯৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে প্রবাহিত হয়ে মিশেছে কর্ণফুলী নদীতে। এই সময় পরিবেশ অনুকূলে থাকলে ডিম ছাড়ে রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন কার্পজাতীয় মাছ।
এসব মাছ সাধারণত মধ্য এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে হালদায় ডিম ছাড়ে। কিন্তু বেশির ভাগ ডিম সংগ্রহ করা হয় মে মাসেই। তবে শিল্প-কারখানার দূষণসহ নানা কারণে হালদার বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হচ্ছে, যার বিরূপ প্রভাব পড়ছে মাছের প্রজননে। যার কারণে গত বছর হালদা থেকে মাত্র সাত হাজার কেজি ডিম সংগ্রহ করা হয়েছিল।
আনন্দবাজার/এস.কে








