দীর্ঘদিন ধরেই চলছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের নাজুক অবস্থা। হল সংখ্যা কমতে কমতে বর্তমানে নেমে এসেছে ২০০ এরও নিচে। দেশের চলচ্চিত্রের সুদিন ফিরিয়ে আনতে সরকারের তরফ থেকে চলচ্চিত্রের জন্য দেওয়া হচ্ছে ৭০০ কোটি টাকার তহবিল।
চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক সমিতির একাধিক নেতা খবরটি নিশ্চিত করেছেন। বরাদ্দকৃত অর্থের বেশির ভাগই দেওয়া হবে সিনেমা হল সংস্কারের জন্য।
প্রযোজক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু বলেন, আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই প্রধানমন্ত্রী আমাদের দিকে তাকিয়েছেন। আশা করছি খুব শিগগিরই এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। এতে চলচ্চিত্র শিল্প নতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
তিনি আরও বলেন, এটি সরাসরি কোন ব্যাংকের টাকা না। তহবিলের টাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে কয়েকটি ব্যাংকে রাখা হবে। আমার জানামতে ১ থেকে ২ শতাংশ সুদে এখান থেকে আগ্রহীরা ঋণ নিতে পারবেন। পরিশোধের মেয়াদ হবে ২০ থেকে ২৫ বছর।
পুরো টাকা যাতে হল সংস্কারের কাজে ব্যয় না হয় তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি রাখছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো। তারা চান কিছু টাকা চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হোক।
পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, আমাদের দাবি থাকবে এখান থেকে যেনো ১০০ কোটি টাকা চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। যাতে করে ভালো প্রযোজকরা ছবি বানাতে পারেন এবং হলগুলোতে যেনো ভালো বাংলা ছবির অভাব না হয়।
জানা গেছে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট নেতাদের মিটিং হবে। সেখানে সিনেমা হল খুলে দেওয়া ঋণের ব্যাপারে বিস্তারিত দিক-নির্দেশনা আসবে।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস








