পোশাক খাতে সর্বমোট এক হাজার ৫৩৫ কোটি ৫৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে বস্ত্র খাতে ৯৭৯ কোটি ৩৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। নতুন বাজার সৃষ্টির প্রণোদনা বাবদ দেওয়া হয়েছে ৫০১ কোটি ৯১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। আর বস্ত্র খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা বাবদ দেওয়া হয়েছে ৫৪ কোটি ৩০ লাখ তিন হাজার টাকা।
নগদ প্রণোদনার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাগ্রোপ্রসেসিং বা কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাত। এ খাতে নগদ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে ২৪৭ কোটি ৬৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা। তৃতীয় স্থানে রয়েছে হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ। এ খাতে দেওয়া নগদ প্রণোদনার পরিমাণ ১৮৩ কোটি সাত লাখ ৫৪ হাজার টাকা।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য মতে, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) পণ্য রপ্তানি থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে এক হাজার ২৭২ কোটি ১২ লাখ (১২.৭২ বিলিয়ন) ডলার। পোশাক খাতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১২.০৭ শতাংশ আয় কম হয়েছে। নিট পোশাক রপ্তানি থেকে আয় এসেছে ৫৫৩ কোটি ৮৩ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ৫.৭৩ শতাংশ কম। ওভেন পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৫০৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি কমেছে ৭.৬৭ শতাংশ।
অন্যান্য পণ্যের মধ্যে চামড়া এবং চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি কমেছে ৮.২ শতাংশ। হিমায়িত মাছ রপ্তানি কমেছে ৭.৮৪ শতাংশ। তামাক রপ্তানি কমেছে ৮ শতাংশ। তবে সব পণ্যের রপ্তানি কমেনি। পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি ৮.৮৮ শতাংশ বেড়েছে।
আনন্দবাজার/জায়েদ








