চাষাবাদে আধুনিকতার ছোঁয়া পাওয়ার ট্রিলার
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে গরু ও লাঙ্গল দিয়ে জমিচাষ এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। বর্তমানে পাওয়ার টিলারের দখলে চলে গেছে অধিকাংশ জমির আবাদ। তবে সৌখিন কৃষকরা ঘোড়া দিয়ে জমি আবাদ করলেও গরু ও লাঙ্গল দিয়ে চাষ উপজেলায় নেই বললেই চলে। তবে লাঙ্গল দিয়ে চাষাবাদ ধরে রাখতে উপজেলার কোনো কোনো সৌখিন কৃষক ঘোড়া দিয়ে জমি হাল-চাষ করতে দেখা গেছে। এতে কমে গেছে কৃষি দিনমজুর শ্রমিকদের কদর। বেড়েছে ট্রাক্টরের কদর। বাংলা পৌষ মাসের শুরুতে উপজেলার প্রতিটি হাওরে বোরো আবাদে মাঠে নেমেছে কৃষকরা।
জমিরমালিক ও কৃষক সাজাদ মিয়া, খলিল মিয়া বলেন, গত কয়েক দিন ধরে জমি পরিচর্যা, হালচাষ ও ধানের চারারোপন করা শুরু হয়েছে। প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে জমি আবাদে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কোথাও জমিরমালিক নিজে জমি আবাদ করছেন। আবার অনেক মালিক দিনমজুর শ্রমিকদের দিয়ে জমি আবাদ করাচ্ছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার বলেন, এবার জগন্নাথপুরে বেশি জমি আবাদ করা হচ্ছে। জমি আবাদে আমরা কৃষকদের উৎসাহিত করছি। পাশাপাশি সরকারি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এতে কৃষকরা আরো উৎসাহিত হয়ে বেশি জমি আবাদ করছেন। এবার জগন্নাথপুরে প্রায় ১৮ হাজার ৪৫৫ হেক্টর জমি আবাদ চলছে। প্রকৃতি অনুকূলে থাকলে ১ লাখ ২০ হাজার টন ধান উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আনন্দবাজার/এম.আর








