আরিচা মাছের আড়তে ত্রেতা-বিক্রেতার হাকডাকে মুখর হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে পদ্মা-যমুনাসহ আশপাশের মুক্ত জলাশয়ের সুস্বাদু সব মাছে ভরে উঠেছে আড়ত। স্বল্প মূল্যে কেনা-বেচা করে আনন্দিত ক্রেতা-বিক্রেতারা।
তবে আড়তদার কমিটির নেতাদের দাবি, যমুনার ভাঙনের ফলে আড়তের স্থান আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। তাই আড়তের স্থান বাড়ানোর জন্য অনুরোধ জানান তারা।
জানা গেছে, ভোর হতেই পাইকার ও আড়তদারদের কারণে মুখর হয়ে উঠছে আরিচার ঐতিহ্যবাহী মৎস্য আড়ত। বিভিন্ন ধরনের শোল, বোয়াল, রুই, কাতলা, চিংড়ী, বাইম, গাড়, শিংসহ পদ্মা-যমুনার ইলিশ ও পাঙ্গাশের আমদানিতে ভরে উঠেছে আড়ত। জমজমাট হয়ে উঠেছে মাছের আড়ত।
পদ্মা-যমুনাসহ সুস্বাদু সব দেশীয় টাটকা মাছের আমদানি হওয়ায় জেলার সাত উপজেলাসহ ঢাকা-সাভার থেকে মাছ কিনে নিয়ে যান পাইকাররা। টাটকা মাছ পেয়ে খুশি স্থানীয়সহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা সব পাইকাররা।
ফলে দিন দিন পাইকার ও আড়তদারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও যমুনার ভাঙনে আড়তের জায়গা কমে আসায় ব্যাপক বিপাকে পড়েছেন মৎসজীবীরা।
প্রায় দুই বছরের ঐতিহ্যবাহী এই মাছের আড়তে পাবনা, রাজবাড়ী ও পদ্মা-যমুনার তীরবর্তী শত শত মৎস্য শিকারী ও শতাধিক আড়তদারের মাধ্যমে প্রতিদিন সকালে সুস্বাদু দেশী এবং পদ্ম-যমুনার প্রায় অর্ধকোটি টাকা মাছ বেচা-কেনা হয়।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে








