প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক পুঁজিবাজারের টানা দরপতন ঠেকাতে তৎপরতার কারণে চারদিনে ৩৯৮ পয়েন্ট বেড়েছিল সূচক। কিন্তুৃ পঞ্চম দিনে এসে পুঁজিবাজার উত্থান ধরে রাখতে পারলনা। সূচকের পতন ঘটেছে পঞ্চম দিনে। একটানা উত্থানের প্রভাবে শেয়ারের দাম কিছুটা বাড়ায় গতকাল বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা লক্ষ করা গেছে যার। ফলে সূচকের পতন হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গতকাল লেনদেনের শুরুতেই ক্রয়চাপের প্রভাবে সূচকে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়, যা দ্বিতীয় ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। অবশ্য এর পর থেকেই পয়েন্ট হারাতে থাকে সূচক। গতকাল দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২৬ পয়েন্ট বা দশমিক ৫৯ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৪০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
গতকাল ডিএসইতে সূচকের পাশাপাশি দৈনিক গড় লেনদেনও কমেছে। গতকাল এক্সচেঞ্জটিতে ৪০৬ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৪৯৪ কোটি টাকায়। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৫৬টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিন শেষে দর বেড়েছে ৭৯টির, কমেছে ২৩৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪০টি সিকিউরিটিজের বাজারদর।
দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএসসিএক্স দিনের ব্যবধানে প্রায় ৩২ পয়েন্ট বেড়ে ৮ হাজার ১৩৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আনন্দবাজার/জায়েদ








