দীর্ঘদিন ধরে রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে হলুদ। হলুদে রান্নার স্বাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি খাবারের পুষ্টিগুণও বাড়ায় অনেকাংশে। হলুদে থাকা কারকিউমিনের মধ্যে রয়েছে প্রদাহ প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য। যা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। হলুদে রয়েছে অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য। যা অন্ত্রে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
এছাড়া হলুদে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, আয়রণ, নিয়াসিন, পটাসিয়াম, দস্তা, ফ্ল্যাভোনয়েডস এবং অন্যান্য পুষ্টি সহ তিনশোরও বেশি পুষ্টি উপাদান।
যেভাবে খাবেন হলুদ :
হালকা গরম দুধ, পানি বা চায়ের সাথে কাঁচা হলুদ খেলে তা ঠান্ডা ও ফ্লু প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। হলুদের গুঁড়ার পাশাপাশি কাঁচা হলুদও সমান উপকারী।
কালো গোল মরিচের গুঁড়ার সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে খেলে এর উপকারিতা অনেকাংশে বেড়ে যায়। তাই চেষ্টা করুন কাঁচা হলুদের সঙ্গে গোল মরিচ মিশিয়ে খেতে।
এক ইঞ্চি কাঁচা হলুদ এবং এক চা চামচ ঘি মিশিয়ে নিন। আপনার যদি অবিরাম শুকনো কাশি হয় তবে এটি প্রতিদিন খান।
হলুদ খাওয়ার আরও কিছু সুবিধা :
- হজমে সহায়তা করে।
- রক্ত পরিশোধিত করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে।
- পেটের আলসার দূর করতে সাহায্য করে।
- ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
- শরীরে প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।
- রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।
আনন্দবাজার/টি এস পি








