লকডাউনে সব উৎসব বন্ধ হলেও বন্ধ হয়নি ‘ঘুড়ি ওড়ানো’। শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের কর্মহীন মানুষও মেতে উঠছে এই ঘুড়ি ওড়ানোর উৎসবে। বিকেল থেকেই শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় ঘুড়ি ওড়ানোর প্রতিযোগিতা। এ যেন নীল আকাশে ঘুড়ির মেলা। আকাশের দিকে তাকালে দেখা যায় বিভিন্ন রং এর ঘুড়ি। এমন চিত্র এখন দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকা, পাড়া মহল্লার মাঠে অথবা বাড়ির ছাদে। এদিকে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঘুড়ি তৈরির কারিগররা।
তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেউ নিজ এলাকার ফাকা জায়গায়, কেউ আবার নিজ বাড়ির ছাঁদ থেকে ঘুড়ি উড়াচ্ছেন। আবার কারো সাথে ঘুড়ি কাটাকাটির প্রতিযোগিতাও চলছে পুরোদমে। আর এই ঘুড়ির চাহিদা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় এবং লকডাউনে ঠিকমত উপকরণ না পেয়ে ঘুড়ি তৈরিতেও কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে কারিগরদের।
দিনাজপুর শহরের পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গা হঠাৎপাড়া এলাকার মো. কাশেম ব্যস্ত সময় পার করছেন ঘুড়ি তৈরির কাজে। তিনি পেশায় একজন চিত্রশিল্পী হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে তার তেমন কাজ না থাকায় নিজ বাড়িতেই ঘুড়ি তৈরি করছেন। এসময় তিনি জানান, ঘুড়ির চাহিদা এত বেশি যে, আমি ঘুড়ি তৈরি করে সামাল দিতে পারছি না। কেউ ৫টা, কেউ ১০টা করে ঘুড়ি চাইছে। চাহিদা বাড়ায় ঘুড়ি তৈরিতে আমার সাথে যোগ দিয়েছে স্ত্রী-সন্তানও।
এদিকে, রাজবাড়ীর এলাকায় আকরাম হোসেন বাবুল জানান, ঘুড়ি ওড়ানোটা নেশা না হলেও বর্তমান করোনার প্রভাবে কর্মহীন হয়ে বেকার না ঘুরে বাড়ীর শিশুরাসহ ঘুড়ি উড়িয়ে সময় পার করছি। বিকেলটা অনেক আনন্দে কেটে য়ায়। পাশাপাশি আকাশে অজানা কারো সাথে ঘুড়ি নিয়ে লড়াই করছি। এটি এক অন্যরকম অনুভূতি।
আনন্দবাজার/রনি









