জুমার দিন মুসলমানদের জন্য আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে ভরা সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনের প্রতিটি ক্ষণ জুড়ে থাকে রহমত, নাজাত ও নৈকট্য লাভের অপার সুযোগ। আর সেই বরকতময় দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সুরা কাহাফ তিলাওয়াত।
কোরআনের ১৫তম পারার ১৮তম সুরা ‘সুরা কাহাফ’ নিয়ে এসেছে অগণিত ফজিলত। হাদিসে এসেছে যে ব্যক্তি এ সুরার প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ রাখবে, দাজ্জালের ফিতনা থেকে সে নিরাপদ থাকবে (সহিহ মুসলিম, হাদিস ৮০৯)। আর সম্পূর্ণ সুরা তিলাওয়াত করলে তার অন্তর প্রশান্তিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং জীবনের নানা ফিতনা থেকে মুক্তির পথ পায়।
ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, যে জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে, তার জন্য আসমানের মেঘ পর্যন্ত আলো বিচ্ছুরিত হবে এবং দুই জুমার মধ্যকার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। (আত-তারগিব ওয়াত তারহিব, ১/২৯৮)
সুরা কাহাফ তিলাওয়াতের জন্য নির্দিষ্ট সময় জুমার দিনই। তবে নির্দিষ্ট কোনো ঘন্টা বলা হয়নি। জুমার রাত তথা বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর থেকে শুরু করে শুক্রবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত যেকোনো সময়েই এই সুরা পড়া যায় (ফাইজুল কাদির ৬/১৯৯)।
ব্যস্ত জীবনের মাঝে অল্প সময় বের করে হলেও এই ফজিলতপূর্ণ আমলটি আদায় করলে পাওয়া যায় অফুরন্ত সওয়াব ও রহমত। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই আমল নিয়মিত করার তাওফিক দান করুন।









