কচুর লতি চাষে লাভবান হচ্ছেন যশোরের চাষিরা। শ্রম আর খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় এই সবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। এই লতি চাষে কীটনাশক ব্যবহারের বদলে ব্যবহৃত হচ্ছে ছাই। এতে খরচ কমে যাচ্ছে অনেক বেশি।
এই কচুর লতি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা শহর গুলোতেও সরবরাহ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে যশোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কতৃপক্ষ জানায়, এই মৌসুমে যশোর জেলার আট উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ হয়েছে। এর মধ্যে কচুর লতিই চাষ হয়েছে ৮৭৫ হেক্টর জমিতে। তার ভেতরে বেশি চাষ হয়েছে বারি পানি কচু-১ ও বারি পানি কচু-২ প্রজাতির লতি।
কচু ক্ষেত পরিচর্যায় কৃষকদের সঙ্গে কাজ করছেন কৃষাণীরাও। এ অঞ্চলের শতাধিক কৃষক কচুর লতি চাষ করে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থায় সচ্ছলতা এনেছে।
এই এলাকার চাষিরা জানান, এ অঞ্চলের কচুর লতি খেতে সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে এখানকার লতির চাহিদা রয়েছে। ফলে দামও ভালো পাচ্ছেন কৃষকরা।
কচু চাষের এ বিপ্লব প্রসঙ্গে বাঘারপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল আলম জানান, যশোর জেলার জহুরপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ কচুর লতি চাষ হচ্ছে। বাঘারপাড়া উপজেলায় মোট ২৬ হেক্টর জমিতে চলতি মৌসুমে কচুর লতি চাষ হয়েছে। এর মধ্যে জহুরপুর ইউনিয়নেই ২২ হেক্টর।
আনন্দবাজার/তাঅ









