বাণিজ্যিকভাবে নেপিয়ার ঘাস চাষে ঝুঁকছেন বগুড়ার কৃষকরা। নিজের গবাদি পশুর প্রয়োজন মিটিয়ে অনেকেই বাড়তি অংশ বাজারে বিক্রি করছেন। এতে করে আর্থিকভাবে লাভবানও হচ্ছেন তারা।
জানা যায়, বগুড়া জেলায় চলতি মৌসুমে প্রায় ৪ হাজার ৯৬৮ কৃষক মোট ৬৩৬.৩৭ একর জমিতে নেপিয়ার জাতের ঘাস চাষ করেছেন।
বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের কৃষক আরিফ হোসেন বলেন, চাষাবাদ ও গাভী পালন করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের পরামর্শ অনুযায়ী সামান্য কিছু জমিতে নেপিয়ার ঘাস চাষ করেন তিনি। কিন্তু এরই মাঝে নিজের গবাদি পশুর চাহিদা মিটিয়ে এ ঘাসের অনেকটা অংশই তিনি বাজারে বিক্রি করেন। এ থেকে তার সংসারে বাড়তি স্বচ্ছলতাও এসেছে।
শাবগ্রাম ইউনিয়নের চান্দপাড়া গ্রামের সুরুজ মিয়া বলেন, তিনি মূলত পেশায় একজন কৃষক ও ভ্যানগাড়ি চালক। এছাড়া বাড়িতে গবাদি পশু আছে তার। তিনি বিঘাখানেক জমিতে নেপিয়ার জাতের ঘাস লাগিয়েছেন। নিজের গবাদি পশুগুলোকে খাওয়ানোর পাশাপাশি মাঝেমধ্যেই এই ঘাস বাজারে বিক্রি করেন তিনি। বাণিজ্যকভাবে নেপিয়ার ঘাস বিক্রি করে তার পরিবারে সচ্ছলতা ফিরেছে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, অন্য ফসলের তুলনায় নেপিয়ার ঘাস বেশ লাভজনক। স্বল্প খরচে অধিক মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয় এই ঘাস চাষে। চলতি মৌসুমে বগুড়া জেলায় প্রায় ৪ হাজার ৯৬৮ কৃষকপরিবার মোট ৬৩৬.৩৭ একর জমিতে নেপিয়ার জাতের ঘাস চাষ করেছেন। এতে ঘাস উৎপাদন হয়েছে ৪ হাজার ৬৬৩ মেট্রিক টন। অনেক চাষিই নেপিয়ারকে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন।
আনন্দবাজার/টি এস পি









