ঢাকার আড়তগুলোতে জমে উঠেছে মৌসুমি ফল বিক্রি। আমদানি বেশি থাকায় বেশকিছু ফলের মূল্য কমেছে কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা। সেই সাথে বিক্রিও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, সরকারের নানা কর্মসূচি নেওয়ায় দেশে বৃদ্ধি পেয়েছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের ফলের চাষাবাদ। এতে সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নানা ফলের সমারোহে ভরপুর থাকে রাজধানীর ফলের আড়তগুলো। ফলে কমেছে সকল ধরনের ফলের মূল্য।
সারা বছরই পাওয়া যায় থাই জাতের পেয়ারা। মান অনুযায়ী জামবুরা প্রতিপিস বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়, পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে ২০-৫০ টাকায়, পেঁপে প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং মৌসুম না হলেও সারা বছরই কম বেশি চাষ হওয়া তরমুজ পাইকারিতে বিক্রি হয় ৪০-৬০ টাকা কেজি মূল্যে।
বর্তমানে ভরা মৌসুম কদবেলের। দেশের সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, চুয়াডাঙ্গা থেকে আসা এসব কদবেল আকার অনুযায়ী প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ১৫ টাকা। অপরদিকে প্রায় ৪০ জেলায় চাষ হচ্ছে ড্রাগন ফল। আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্রতি কেজিতে ২০-৫০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৩৫০ টাকায়। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গায় চাষ করা সৌদির সাম্মান ফলের মূল্য রাখা হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি।
পাইকারিতে বড় আকারের প্রতিপিস আনারস ৩৫ টাকা। মিষ্টি বেশি ছোট আকারের জলডুগি আনারস প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে









