পরিবহনে পথে পথে ব্যাপক চাঁদাবাজির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পেয়ারার দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে। এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় পেয়ারার পাইকার ও পরিবহন চালকরা।
ভরা মৌসুমে দক্ষিণের পিরোজপুর ও ঝালকাঠির ৫ থেকে ৭ টাকা কেজির পেয়ারা ঢাকা-চট্টগ্রামের খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়। তবে পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশ কাজ করছে বলে দাবি ঝালকাঠি জেলা পুলিশের।
বরিশাল বিভাগের তিন জেলা জুড়ে এখন বর্ষা মৌসুমের দেশীয় ফল পেয়ারার বেচাকেনা জমে উঠেছে। এখানকার গ্রামের ভাসমান হাটগুলো থেকে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ সারা দেশে স্বরূপকাঠি জাতের এ দেশি পেয়ারা সরবরাহ হচ্ছে। দূর-দূরান্তের পাইকাররা সড়ক ও নৌ-পথে এখান থেকে পেয়ারা কিনে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি বাজারগুলোতে বিক্রি করছেন।
কিন্তু বরিশালের বানারীপাড়া, পিরোজপুরের আটঘর এবং ঝালকাঠির ভীমরুলীসহ পেয়ারা হাটের পাইকার ও ট্রাক চালকদের অভিযোগ, পেয়ারা পরিবহনে বরিশালের ভূরঘাটা থেকে পথে পথে চলে চাঁদাবাজি। সড়কে পুলিশকে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিটমানি কিংবা চাঁদা দিতে হয়।
ফেরিঘাটেও চাঁদা দিতে হয় স্থানীয় দালালদের। ফলে দুই থেকে তিন'শ টাকা মণ দরে গ্রামের হাটের পেয়ারা ঢাকা-চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে বিক্রি হয় হাজার টাকায়। খুচরা পর্যায়ে গ্রামের ৫ থেকে ৭ টাকা কেজি দরের পেয়ারা রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য শহরগুলোতে কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকারও বেশি দরে।
এক পিকআপ চালক বলেন, যেমন গাড়ি চালাই পুলিশের অত্যাচারও তেমন বেশি। কম টাকা তারা নিতে চান না। ১০০ টাকা দিলে হয় না। তাদের ৫০০ টাকা দিতে হয়।









