কর্তৃত্বপরায়ণ স্ত্রীদের হাত থেকে বাঁচতে এবার ইউক্রেনের যুদ্ধে যোগ দিতে যাচ্ছেন অনেক রুশ পুরুষ। রুশ আরটি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে রোববার (২অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
দীর্ঘ সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইউক্রেনে দখল করা ভূখণ্ডগুলো হাতছাড়া হতেই সামরিক গতিবিধি বাড়ানের নির্দেশ দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
রাশিয়ায় আংশিক সৈন্য সমাবেশের ঘোষণা দেওয়ার পর জানানো হয়েছিল যাদের সামরিক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের যুদ্ধে ডাকা হবে।
ঠিক এমই পরস্থিতিতে নতুন তথ্য আনলেন রাশিয়ান মেয়র ইয়ারোস্লাভ শাপোশনিকভ। তিনি বলেন, কর্তৃত্বপরায়ণ স্ত্রীদের হাত থেকে বাঁচতে ইউক্রেনের যুদ্ধে যোগ দিতে যাচ্ছেন অনেক রুশ পুরুষ স্বেচ্ছাসেবক। ইউক্রেনের সাথে সংঘাতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করা রুশ পুরুষদের এক-দশমাংশ তাদের কর্তৃত্বপরায়ণ স্ত্রীদের হাত থেকে বাঁচতে সেখানে গেছেন।
শাপোশনিকভ বলেন, ‘প্রায় ১০ শতাংশ স্বেচ্ছাসেবক সেখানে যাচ্ছে কারণ তাদের স্ত্রীরা বকাঝকা করছে নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ করছে।
তবে, ১০ শতাংশ অনুমান কিসের ওপর ভিত্তি করে মেয়র বলেছেন সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু জানান নি। তিনি ‘ওপেন ভর্কুটা’ নামক একটি অনলাইন প্যানেল আলোচনার সময় নিজেই ওই সভার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। আর এরপরই সেটি ভাইরাল হয়ে যায় এবং ব্যাপকভাবে মিডিয়ায় আলোচতি হয়।
সামাজিক যোগাযোগ সাইটে ব্যাপক ব্যঙ্গ আর উপহাসের শিকার হন শাপোশনিকভ। তবে নিজের বক্তব্য থেকে সরে আসেননি তিনি। তার দাবি মিডিয়ায় তার মন্তব্যকে প্রসঙ্গের বাইরে নিয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আমি আমার মাতৃভূমির একজন দেশপ্রেমিক। আমার কথাগুলোকে প্রসঙ্গ থেকে বের করে কেউ কেউ তাদের নিজস্ব ব্যাখ্যাও দিয়েছেন।’
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এর ফলে সাত মাসের মাথায় রুশ সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করার জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি আংশিক সেনা সমাবেশের ঘোষণা দেন। পরে মস্কো ৩ লাখ পুরুষ রুশ নাগরিককে রিজার্ভ সেনা হিসেবে একত্রিত করতে চেয়েছে যারা মূলত সামরিক বাহিনীতে ইতোপূর্বে কাজ করেছেন এবং যুদ্ধের পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে।
আনন্দবাজার/কআ









