শস্য ভাণ্ডার খ্যাত বাংলা মায়ের প্রতিটি স্থানে-ই প্রতিটি ঋতুতে নানা ফলমূল আর শাক সবজিতে পরিপূর্ণ হয়ে ভরে উঠে বাংলার মাঠঘাট প্রান্তর।দৃষ্টি যতই দূর যায় শুধু সবুজ আর সবুজ চারদিকে বিভিন্ন ফসল সবকিছু মিলে সবজিতে একবারে পরিপূর্ণ হয়ে থাকে বাংলার মায়ের নরম কোমল বুক।
আষাঢ়ের শুরু থেকে কয়েকদিন যাবৎ চলছে টানা বর্ষণ আর এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলার কৃষক।তারই ধারাবাহিকতায় ক্ষতির মুখে পড়েছে আশুলিয়া- কাশিমপুর সীমান্তবর্তী (গণকবাড়ী-বাগবাড়ী) এলাকায় সবজি চাষিরা। ক্ষেতে অতিরিক্ত পানি জমাট বেঁধে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে এতে ঘটছে বিপন্নতা।
কৃষকদের চোঁখের সামনেই সবজি ক্ষেতের তরতাজা চালকুমড়া,করলা,ঝিঙে, ধন্দুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজির গাছ গুলো নূয়ে পড়ছে আর এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই এলাকার কৃষকরা।
চাষি মোঃ আরিফ হোসেন (৩২),আব্দুল মতিন (৩৩) সহ একাধিক সবজি চাষিরা জানায়, সবজি চাষ করে বেশ আলোর মুখই আমরা দেখে ছিলাম।আর সবকিছু মিলে বেশ ভালোই চলছিলো।হঠাৎ কয়েকদিনের ভারি বর্ষণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়াতে গাছ গুলো মরে যাচ্ছে তাই এতে অনেক বড় ক্ষতির মুখে পড়েছি।মহাজনের কাছ থেকে টাকা পয়সা ঋণ করে নিয়ে এসে ক্ষেত গুলো করেছিলাম কিন্তু এই অবস্থা হওয়ায় এখন মাথায় হাত।আমি সরকারের কাছে আকুল আবেদন করে বলছি,আমাদের দিকে একটু সু-নজর দিন।
এ বিষয় নিয়ে সাভার উপজেলা ও গাজীপুর জেলা কৃষি অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে কথা বলা হলে উনারা বলেন,গাজীপুর জেলার কাশিমপুর অঞ্চলে কয়েক বছর যাবৎ বেশ ভালো সবজি চাষ করে আসছে চাষিরা।অনেকেই এরই মধ্যে সবজি চাষ করে সফলতার মুখ ও দেখেছে।হঠাৎ আষাঢ়ের শুরু থেকে প্রাকৃতিক এ বিপর্যায়ের কারণে কৃষকদের তথা সবজি চাষিদের বেশ ক্ষতি সাধিত হয়েছে। আমরা বিষয়টি ইতিমধ্যে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জানিয়েছি যেন কৃষকদের দিকে একটু সু-নজর দেন।









