দেশের বােইরে থেকে পচনশীল পণ্য আমদানি করা হয় ব্যয়বহুল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কনটেইনারে করে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বিশেষায়িত এসব কনটেইনার ডেলিভারি চিত্রে কোনো উন্নতি হয়নি বিগত এক সপ্তাহে। পুরানো কনটেইনার জমে থাকায় নতুন করে আসা কনটেইনার নামানো যাচ্ছে না জাহাজ থেকে। বহির্নোঙরে পড়ছে এর প্রভাব। সেখানে তৈরি হয়েছে জাহাজের অপেক্ষার সময় বাড়ার শঙ্কা।
চট্টগ্রাম বন্দরের থেকে পাওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কনটেইনার গুলোতে তাজা ফল, মসলা পণ্য, শিশু খাদ্য, ওষুধের কাঁচামাল, মাছ প্রভৃতি রাখা আছে। পরিসর বাড়ানো হয়েছে বন্দরের। তারপরও গতকাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তরে মোট ২ হাজার ৯০০ একক কনটেইনার জমে আছে। বন্দরের কনটেইনার রাখার প্রকৃত সক্ষমতা ২ হাজার ৬০০ একক।
ব্যবসায়ীরা এর মূল কারণে হিসেবে দেখছেন, পচনশীল পণ্যভর্তি এসব কনটেইনার ডেলিভারি না হওয়ার কারণ হিসেবে মূলত চাহিদা পতন। সংশ্লিষ্ট মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার ছাড়পত্র না পাওয়ায় বহু পণ্যের চালান খালাস নেয়া যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে আছে শতাধিক কনটেইনারে আসা ২৮ হাজার টন মাছ। গড়ে ২৫ টন বা তার চেয়ে বেশি মাছ আছে প্রতি কনটেইনারে।
আমদানিকারকরা এসব মাছ ছাড়িয়ে নিতে পারছে না কারণ, মত্স্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের প্রত্যয়ন দিচ্ছে না। তাছাড়া সরকারি ছুটিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে রেডিয়েশন টেস্ট যথাসময়ে না হওয়ায় বিলম্ব ঘটছে ডেলিভারিতে।
আনন্দবাজার/এস.কে









