অগ্রাহায়ণের শুরু থেকেই সারাদেশে বাড়তে শুরু করেছে শীতের তীব্রতা। শপিংমল থেকে শুরু করে পুরাতন শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা।
গাইবান্ধা জেলা শহরের ফুটপাতজুড়ে কমদামে শীতবস্ত্র কিনতে পুরাতন কাপড়ের দোকানগুলো ভিড় করছেন ক্রেতার।
বিশেষ করে শহরের স্বাধীনতা প্রাঙ্গণ, শিল্পকলা একাডেমী, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বাড়ির সামনে রাস্তার দু’পাশে বসেছে পুরাতন কাপড়ের দোকান। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানগুলোতে স্বল্পআয়ের মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। শীতের প্রস্তুতি হিসেবে গ্রাম থেকে দলে দলে শীতবস্ত্র কিনতে আসছে নারী ও পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সের লোকজন
তবে এবার শীতবস্ত্রের দাম অনেক চড়া বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। অপরদিকে মোকামে শীতবস্ত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে বলে দাবী করেন ক্রেতারা।
দাড়িয়াপুর থেকে শীতবস্ত্র কিনতে আসা স্বল্পআয়ের আমেনা বেগম জানান, তিন ছেলে-মেয়ের শীতবস্ত্র কিনতে যে টাকা নিয়ে তিনি বাজারে এসেছেন তা দিয়ে দু’জনের টাও কিনতে পারছেন না। গত বছরের তুলনায় শীতবস্ত্রের দাম বেশি।
পলাশবাড়ির পবনাপুর থেকে গাইবান্ধায় শীতবস্ত্র কিনতে এসেছেন স্বামী হায়দার আলী ও ফারজানা বেগম। প্রতিবছর নাকি এখান থেকেই শীত বস্ত্র কিনে নিয়ে যান তিনি। পরিবারের চার জন মানুষ আর গরুর জন্য শীতবস্ত্র কিনতে চান তিনি। কিন্তু যে টাকা তিনি নিয়ে এসেছেন সে টাকা দিয়ে ধারে কাছেও যেতে পারছেনা। তিনি বলেন, পুরাতন কাপড়ের এতো দাম হওয়ার কথা নয়। কিন্তু দোকানীরা যেভাবে দাম হাকাচ্ছেন তাতে শীতবস্ত্র কেনা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
বিক্রেতা শাহজাহান আলী জানান, মোকামে মালের দাম বেশি। সে কারণে শীতবস্ত্র বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
আনন্দবাজার/শহক








