গত ২৩ সেপ্টেম্বর ভারতের কেরালার অর্থোপেডিকসের স্বনামধন্য চিকিৎসক অনুপ কৃষ্ণা নিজের ৭ বছর বয়সী কন্যা সন্তানের অস্ত্রোপচার করেন। অস্ত্রোপচারের সময় মারা যায় মেয়েটি। তারপর ওই চিকিৎসক বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ অভিযোগ উঠে তিনিই তার সন্তানকে মেরে ফেলেছেন। ফলে এই অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন কেরালার এই চিকিৎসক।
গত বৃহস্পতিবার কাদাপ্পাকাড়াতে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাথরুমের দেওয়ালে ‘স্যরি’ লিখে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। এর এক সপ্তাহ আগেই মৃত্যু হয়েছিল মেয়ের।
তবে এই ঘটনার তদন্তকারী অফিসাররা জানান, ওই কারণেই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন কি না- তা এখনই নিশ্চিত করতে পারছেন না তারা। অনলাইনে বা অফলাইনে তাকে কোনও হুমকি দেয়া হয়েছিল কি না- তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর তার সাত বছরের মেয়ে বাবার হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছিল। হাঁটুর অস্ত্রোপচারের সময় কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট অর্থাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয় সে। বাবা নিজেই মেয়ের অস্ত্রোপচার করছিলেন। তারপর আরেকটি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। মেয়ের মৃত্যুর জন্য পরিবার ও স্থানীয়রা হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভ দেখান।
অনুপের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এমনকি কোল্লাম পূর্ব পুলিশ স্টেশনে তার বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগও দায়ের করা হয়েছিল। তবে অনুপের পক্ষেও কেরালার একাধিক চিকিৎসক মুখ খুলেছেন। তারা জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে ভয়াবহ হেনস্তা করা হচ্ছিল।
আনন্দবাজার/টি এস পি









