আগাম আলুচাষ করে বিপাকে পড়েছেন নওগাঁর বদলগাছীর চাষিরা। ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরমভাবে হতাশায় পড়েছেন তারা। বর্তমানে আলুর বাজারদর নিয়ে হতাশ চাষিরা।
বর্তমানে বাজারে বিদেশী জাতের এককেজি আলুর দাম ৮ টাকা। এক মণ আলুর দাম ৩২০ টাকা। দেশি জাতের আলু ৪৫০ টাকা মণ বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে এককেজি গরুর মাংসের দাম ৫০০ টাকা। একমণ আলুর দাম মিলছেনা এককেজি মাংস। দেড়মণ আলুর দাম ৪৮০ টাকা থেকে ৫০০টাকা। বাজারে এককেজি গরুর মাংস কিনতে গেলে বর্তমান সময়ে কৃষকের দেড়মণ আলু বিক্রি করতে হচ্ছে। অর্থাৎ দেড়মণ আলুর দামে এককেজি গরুর মাংস।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে এ উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ২ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে আলুচাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন খরচের তুলনায় বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় আগাম চাষকৃত আলু নিয়ে চাষিরা বিপাকে পড়েছেন। দাম কম থাকার কারণে আলু বিক্রি করে চাষিদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটছে না। তাই চাষিরা আলুর দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। তরুণ উদ্যোক্তা পিপলু বলেন, শস্যভান্ডার খাত উপজেলা বদলগাছী। এ উপজেলায় প্রচুর পরিমাণ আলুর উৎপাদন করে স্থানীয় চাষিরা। বর্তমান বাজারে আলু যে দাম তা নিয়ে কৃষকরা খুশি নয়। আলু বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তোলা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। চাষিদের দাবি, কৃষিকাজে ব্যবহৃত জিনিসপত্রের দাম কমাতে হবে। কৃষিক্ষেত্রে যান্ত্রিকিকরণ ও কৃষিতে ভর্তুকি বাড়াতে হবে। কৃষিতে যান্ত্রিকিকরণ ও ভর্তুকি বাড়িয়ে দিলে কৃষকদের আলু চাষে ব্যয় কমে আসবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান আলী বলেন, আগাম আলুচাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে আলুর দাম কম থাকায় কৃষকরা একটু চিন্তিত, তবে আশা করা যায় দাম বৃদ্ধি পেতে পারে।
আনন্দবাজার/এম.আর









