করোনাভাইরাসের মহামারী থেকে বাঁচতে একমাত্র উপায় হিসেবে শুরু হয়েছিল লকডাউন। এতে জীবন রক্ষা পেলেও মানুষের আটকে গেছে জীবিকা। তাই পরিস্থিতি বুঝে ধীরে ধীরে অবরুদ্ধ অবস্থা শিথিল করছে বিভিন্ন দেশ।
সবার আগে লকডাউনে চলে যাওয়া চীনের উহান শহরের পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। তুলে নিয়েছে লকডাউন। মহামারীতে বিপর্যস্ত ইউরোপের দেশ ইতালি ও স্পেন মাস গড়ানোর পরপরই শিথিল করেছে লকডাউন। একই পথে হাঁটছে অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, পোল্যান্ড আর জার্মানি।
চীনের পর করোনাভাইরাস তাণ্ডব চালাচ্ছে ইউরোপের দুই দেশ ইতালি আর স্পেনে। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় অল্প দিনেই চীনকে ছাড়িয়েছে এই দুই দেশ। মৃত্যুর হার কমে আসার ফলে এক মাসের বেশি সময় পর লকডাউন শিথিল করেছে স্পেন। খুলে দেয়া হয়েছে রাস্তাঘাট, শিল্প কারখানা। তবে দোকানপাট, বার, রেস্তোরাঁসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো বন্ধ রেখেছে স্পেন।
পাঁচ সপ্তাহ পর লকডাউন শিথিল করেছে ইতালি। খুলতে শুরু বই, মনোহারী ও শিশুদের জামা-কাপড়ের দোকান। কম্পিউটার সরঞ্জাম ও কাগজের দোকানও খুলে দিয়েছে প্রশাসন। তবে যেসব শহরে করোনা পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক নয় সেগুলোতে জারি রাখা হয়েছে লকডাউন। তবে করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত ইউরোপের আরেক দেশ ফ্রান্স হাটছে উলটো পথে। লকডাউনের মেয়াদ আরও চার সপ্তাহ বাড়িয়ে ১১ই মে পর্যন্ত করেছে ফ্রান্সের সরকার। লকডাউন ৩রা মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে ভারত সরকার। তবে ২০শে এপ্রিলের পর কিছু কিছু বিষয়ে শিথিল করার আভাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আনন্দবাজার/তা.তা









