করোনাভাইরাসে কারণে মানুষ লকডাউনে থাকায় প্রাণভরে যেন শ্বাস নিচ্ছে প্রকৃতি। অভূতপূর্ব ভাবে কমছে বায়ু দূষণের মাত্রা। গবেষণা বলছে, গেল একমাসে বাতাসে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বস্তুকণার পরিমাণ কমেছে অন্ততপক্ষে ৬০ শতাংশ।
বায়ু দূষণের তালিকায় বেশ কয়েক বছর ধরেই শীর্ষে ছিল ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লি। মাত্র চার মাসের ব্যবধানে শহরটির বায়ুমানের অভাবনীয় মাত্রায় উন্নতি হয়েছে। গবেষকরা জানান, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় লকডাউনের কারণেই দিল্লির বাতাসের এমন পরিবর্তন।
ভারতের এক গবেষক বলেন, ‘লকডাউনের কারণে গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে, সব ধরনের শিল্প কারখানাও বন্ধ। এমনকি মানুষও করোনার ভয়ে বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না। এজন্যেই বায়ুমানের এতোটা পরিবর্তন।’
ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীনের উহানের বায়ুতেও পরিবর্তন লক্ষণীয়। বাতাসে কার্বন-ডাই অক্সাইডের মাত্রা কমে যাওয়ায় বেইজিংয়ে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে দূষণ। পাশের দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার বাতাসেও কমেছে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বস্তুকণার পরিমাণ।
গেল এক মাসে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, গ্রিসসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশের বায়ু দূষণের মাত্রা কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, লকডাউনের কারণে মানুষের আচরণ পাল্টানোয় এ উন্নতি দেখা যাচ্ছে। তবে, করোনা পরবর্তী সময়ে কতদিন তা স্থায়ী হয় সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে।
আনন্দবাজার/এফআইবি








