ইতিহাস ঐতিহ্য
পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষিত হলো উপমহাদেশের প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক অস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়িটি। ১ লা মে ২০২২ইং কটিয়াদী উপজেলার মসুয়া গ্রামের সত্যজিৎ রায়ের পৈত্রিক বাড়িতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর একটি নোটিশ বোর্ড ও একটি হিস্টোরি বোর্ড টানিয়ে দেয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর কিশোরগঞ্জের সাইট পরিচারক আমিনুল হক, মসুয়া গ্রাম প্রধান সিরাজুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
জানা যায়, গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়িটি পরিদর্শনে যান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী অস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের বাবা শিশু সাহিত্যিক ও জমিদার সুকুমার রায়ের পরিত্যক্ত বাড়িটি প্রত্নতত্ত্ব হিসেবে সংরক্ষণের প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরকে নির্দেশ দেন। এরই প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি ঐতিহাসিক এ বাড়িটি সংস্কারের কাজ শুরু করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর। অধিদফতরের সহকারি প্রত্নতাত্ত্বিক রসায়নবিদ আবুল হোসেন, উপ সহকারি প্রকৌশলী মো. জাকারিয়া প্রমুখ।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের সহকারি প্রত্নতাত্ত্বিক রসায়নবিদ আবুল হোসেন জানান, মাননীয় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে ঐতিহাসিক এ বাড়িটির সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে। সংস্কারের প্রথম পর্যায়ে ভবনের উপর, ভবনটির উত্তর ও পূর্বপাশে থাকা গাছপালা এবং জঙ্গল পরিষ্কার করে স্থানটিতে রাসায়ানিক দ্রব্য ব্যবহার করেছি। যাতে করে এখানে আর কোনো নতুন গাছ না জন্মায়।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো. জাকারিয়া জানান, পরিত্যক্ত এ ভবনটি প্রাথমিকভাবে পরিস্কার করে সংস্কারের জন্য একটি প্রাক্কলন তৈরি করেছি। আমাদের প্রস্তাবনাটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরে দাখিল করার পর অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ হলেই বাড়িটির বর্তমান ডিজাইন ঠিক রেখে সংস্কার করা হবে। তবে বাড়িটিকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর ইতোমধ্যে পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষণ করেছে। তাই নোটিশ বোর্ড ও হিস্টোরি বোর্ড সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে।









