অল্প পরিসরে সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে মাছ এবং মুরগি সমন্বিত চাষ করা যায়। সেই সাথে এ ধরণের সমন্বিত চাষের ফলে অল্প খরচে বেশি মাছ উৎপাদন সম্ভব বলে জানান গবেষকরা।
তারা জানান, এ পদ্ধতিতে মাছের জন্য আলাদাভাবে সার বা খাদ্য দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। কারণ মুরগির উচ্ছিষ্টই মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আর এই মিশ্র চাষ পদ্ধতিতে প্রতি শতাংশে ২০-২৫ কেজি মাছ উৎপাদন করা সম্ভব। তাছাড়া সমন্বিত পদ্ধতিতে শুধু মুরগিই নয়, হাঁসও চাষ করা যায়।
বাংলাদেশের উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি প্রোগ্রামের কৃষিশিক্ষা বইতে উল্লেখ আছে, মুরগির বিষ্ঠা এবং পড়ে যাওয়া খাদ্য মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
আবার পুকুরের পাড়ে বা পানির উপর ঘর তৈরি করা হয় বলে মুরগির ঘরের জন্য আলাদা স্থানের প্রয়োজন হয়না। পানির ওপরে ঘর হওয়ার কারণে মুরগির বিষ্ঠা সরাসরি পানিতেই পড়ে যায়। সেই সাথে মুরগিকে যে খাদ্য দেওয়া হয় তার অব্যবহৃত অংশ এবং পানিতে পড়ে যাওয়া খাদ্য মাছের সম্পূরক খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অপরদিকে মাটির সংস্পর্শে না থাকায় মুরগির রোগ বালাই অনেক কম হয় এবং স্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর মুরগির বিষ্ঠা পুকুরের সার হিসেবেও ভালো কাজ করে।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে









