বন্ধ বিও (বেনিশিফিয়ারি ওনার্স) হিসাব থেকে বিদেশিদের শেয়ার বিক্রিতে বেআইনি সহযোগিতা করেছে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ। অপরাধটির কারন প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
চার বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিদেশি বিনিয়োগকারী বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসির শেয়ার কাস্টডিয়ান হিসাবে রক্ষিত রয়েছে। এই বিও হিসাব থেকেই গত বুধবার বড় অঙ্কের শেয়ার বিক্রি হয়। এই ঘটনাকে অস্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন বিএসইসি। এর কারণে জানতে বিও হিসাব পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চেয়েছে বিএসইসি। একই ব্যাখা এইচএসবিসির কাছেও চেয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রন সংস্থা।
ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ হাউসে রক্ষিত একটি বিও হিসাব থেকে গত বুধবার ১২ কোটি ৫৭ লাখ টাকার সমমূল্যের তিনটি কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করা হয়। কোম্পানি তিনটি হলো গ্রামীণফোন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবিসি) ও স্কয়ার ফার্মা। ওই বিও হিসাব ২০১৮ সালের জুন থেকে বন্ধ। কীভাবে ‘বন্ধ বিও’ থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করা হলো, তা নিয়ে বিএসইসি খতিয়ে দেখছে।
ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ শেয়ার বিক্রিতে বেআইনি সহযোগিতার প্রসঙ্গে গতকাল বৃহস্পতিবার বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, বন্ধ বিও হিসাব থেকে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করা হয়। কীভাবে বন্ধ বিও থেকে শেয়ার বিক্রি করা হলো, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছ থেকে ব্যাখ্যা ও তথ্য প্রমাণ চাওয়া হয়েছে। তথ্য প্রমাণে গড়মিল থাকলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









