চীন-ভিয়েতনামের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- পোশাকখাতে সুবাতাস
পোশাক রপ্তানিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের সুদিন চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগী চীন ও ভিয়েতনামের চেয়ে বেশি হারে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি করছে। ফলে পোশাক রপ্তানিতে চীন ও ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া যায়।
চলতি বছরের প্রথম ৭ মাসে (জানুয়ারি-জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। একই সময়ে দেশটিতে ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। চীনের পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪০ শতাংশ।
অটেক্সোর হালনাগাদ প্রতিবেদন তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ তৃতীয় শীর্ষ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করে বাংলাদেশ ৫৭১ কোটি (৫ দশমিক ৭১ বিলিয়ন) ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে। দেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা ধরে) ৫৪ হাজার ২৪৫ কোটি টাকার সমান। যা ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ জানুয়ারি-জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীন রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৪০ শতাংশ।
এসময় চীন রপ্তানি করেছে এক হাজার ২৭৯ কোটি (১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন) ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ ভিয়েতনাম। ওই একই সময়ে ভিয়েতনামের প্রবৃদ্ধি ৩৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বেড়ে রপ্তানি পৌঁছেছে এক হাজার ৯১ কোটি (১০ দশমিক ৯১ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। অন্যান্য শীর্ষ দেশ যেমন ইন্দোনেশিয়া, ভারত, কম্বোডিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং পাকিস্তানের পোশাক রপ্তানি একই সময়ে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ভোক্তাদের কেনাকাটা বাড়ায় খুচরা বিক্রি স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়েছে। আরও জানান, বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানি আগস্ট ২০২২ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য হারে প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছিল। ফলে বাংলাদেশ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রাখতে পারে।









