সামাজিক উন্নয়ন সূচক, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বাণিজ্যের প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, এতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের পথ উন্মুক্ত হবে। বিশেষ করে বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিজনেসের তালিকাও সে কথাই বলছে। বাংলাদেশের এ সাফল্যের পেছনে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, দক্ষ জনবল, জ্বালানি, যাতায়াত ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক অঞ্চল, পলিসি মেকিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। গতকাল ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস ইন বাংলাদেশ অ্যান্ড লং-টার্ম ইনভেস্টমেন্ট পটেনশিয়ালস’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসকল কথা বলেন।
রাজধানীর গুলশানের হোটেল ওয়েস্টিনে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ-জার্মান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিজিসিসিআই) এই সেমিনারের আয়োজন করে। এতে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানসহ উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মো. ফরাসউদ্দিন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ইন্ডিয়ার কান্ট্রি ডিরেক্টর জুনাইদ আহমেদ।
পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিজনেসের তালিকায় বাংলাদেশের যে অগ্রগতি তার পেছনে মূলত টেকনোলজিক্যাল রেভল্যুশন, এনার্জি সেক্টর, ট্রান্সপোর্ট, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সরকারের নানা উন্নয়ন রয়েছে। গত ১০ বছরে সরকার অর্থনীতি এবং কারিগরি সেক্টরে যে উন্নয়ন ঘটিয়েছে, তা রীতিমতো রেকর্ড হওয়ার মতো। উন্নয়নের সূচকগুলো কীভাবে পরিবতন হচ্ছে, সেসবের দিকে নজর দিচ্ছে সরকার।
তিনি আরও জানান, ৩৪-৩৫ বছর আগে বাংলাদেশের উন্নয়ন সূচক বেশির ভাগ নিম্নগামী ছিল। বর্তমানে মানব উন্নয়ন সূচক থেকে শুরু করে সব সূচকে ইতিবাচক অগ্রগতি বাংলাদেশের। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের ওপরে। মুজিব বর্ষে সরকারের এসব উন্নয়ন আরো কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, সে বিষয়গুলো গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
আনন্দবাজার/তা.তা









