দুর্নীতির মামলায় যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন আদেশ বাতিল চেয়ে গতকাল সোমবার হাইকোর্টে আবেদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আবেদনে সম্রাটকে জামিন দেওয়া নিম্ন আদালতের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছে দুদক। দুদকের আইনজীবী খুসরিদ আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
খুসরিদ আলম খান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নিলেও সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালত সম্রাটকে চিকিৎসাগত কারণে জামিন দিয়েছেন। সম্রাটকে তার অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় জামিন দেওয়া যাবে না জানিয়ে তিনি বলেন, হাইকোর্ট এই আবেদনের ওপর শুনানি করবেন।
গত ১১ মে দুর্নীতি মামলায় সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান। পাসপোর্ট জমা রাখা, অসুস্থতা বিবেচনা, আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশে না যাওয়ার শর্ত এবং প্রতিটি ধার্য তারিখে হাজিরার তিন শর্তে দুর্নীতির মামলায় জামিন পান ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। ৩২ মাস কারাগারে থাকার পর ১১ মে বিকেলে কারামুক্ত হন তিনি।
গ্রেপ্তারের পর কিছুদিন জেলে থাকলেও অসুস্থতার কারণে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সম্রাট। জামিনে মুক্তির আদেশ আসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেলে। শারীরিক অসুস্থতা বিবেচনায় এর আগেই অস্ত্র, মাদক এবং অর্থপাচার মামলায় জামিন পান সম্রাট। মুক্তিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় দুদকের এক মামলা। ওই মামলাতেও একবার জামিন চেয়ে ব্যর্থ হন তিনি। আবারও করা হয় জামিন আবেদন। গত বুধবার মামলাতেও জামিন মেলে তার।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।









