চলতি বছর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভিয়েতনামের শেয়ারগুলো। তবে বাজার পর্যবেক্ষকরা আশাবাদী দেশটির ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে। বিনিয়োগকারীরা আস্থা রাখছেন দেশটির প্রবৃদ্ধি সম্ভাবনার প্রতি।
ভিয়েতনামের অর্থনীতিতে এ মুহূর্তে মিশ্র পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ২০১৭ সালের পর সর্বনিম্নে রয়েছে স্টকের মূল্য, অন্যদিকে অর্থনীতিটির ৫ শতাংশর বেশি প্রবৃদ্ধির রেকর্ড রয়েছে দুই দশক ধরে। এরই মধ্যে প্রধান স্টক সূচক ২০১৯ সালের অর্জনের প্রায় পুরোটাই হারিয়েছে।
জানা যায়, চলতি বছর বিদেশী বিনিয়োগকারীরা ভিয়েতনামি ইকুইটি তহবিল থেকে এখন পর্যন্ত ৫৩ লাখ ডলার তুলে নিয়েছেন। ভিয়েতনামি ইকুইটি ইনডেক্স ২০১৮ সালে অর্জিত সর্বোচ্চ স্তর থেকে ২৫ শতাংশ নিচে থাকলেও সূচকটির দীর্ঘ সময় ধরে স্থিতিশীল থাকার প্রমাণ রয়েছে। এক বছর বাদে ২০১২ সালের পর থেকে পুরো সময়ই ঊর্ধ্বমুখী ছিল সূচকটি।
ব্রিটিশ বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি অ্যাশমোর গ্রুপের ব্যবস্থাপক অ্যান্ডরু ব্রুডেনেল বলেন, সাম্প্রতিক শেয়ার বিক্রি মূলত পরিবহন, শক্তি ও চাহিদা খাতে ‘আকর্ষণীয় সুযোগ’ তুলে ধরছে। এশিয়া ফ্রন্টিয়ার ক্যাপিটালের তহবিল ব্যবস্থাপক রুচির দেশাইও ভিয়েতনামের ভ্রমণসংক্রান্ত স্টক পছন্দের তালিকায় থাকার কথা জানিয়েছেন।
আনন্দবাজার/ টি এস পি









