করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ভার্চুয়াল ক্লাস বা অফিসিয়াল মিটিং চলছে ঘরে বসেই। এতে নিত্য দরকারি ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এসব পণ্যের বিক্রি ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছে বিক্রেতারা। প্রায় সব পণ্যের দামই ১০ থেকে ১৫ শতাংশ আবার কোনোটার দাম ৩০ শতাংশ বেড়েছে।
আমদানিকারকরা জানান, এলসি জটিলতা কেটে গেলে দাম স্বাভাবিক হবে।
করোনা ঝুঁকিতে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিকল্প উপায়ে ঘরে বসেই চলছে ভার্চুয়াল ক্লাস। ঝুঁকি এড়াতে মিটিংসহ সময় মতো দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষ করারও বড় ভরসা এখন ইলেক্ট্রনিক্স এসব ডিভাইস।
করোনা পরিস্থিতিতে বিক্রেতাদের নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্য বেচাকেনায় বাড়তি চাপ সামাল দিতে হচ্ছে। হেডফোন, ওয়েবক্যাম, ল্যাপটপ, হার্ডডিক্স, মনিটর, রাউটারসহ প্রযুক্তির নানা পণ্যের বিক্রি কয়েক গুণ বেড়েছে বলে জানান তারা।
জানা যায়, ১৫শ' টাকার ওয়েবক্যাম ২ হাজার টাকা, ৮শ' টাকার হেডফোন ১২শ' টাকা, ৭শ থেকে ৮শ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মনিটর।
এ ব্যাপারে ক্রেতারা বলছেন, করোনার কারণে দাম বেড়ে গেছে। সরবরাহে কমতি আছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, আমদানি স্বাভাবিক না পর্যন্ত এসব পণ্যের দাম কমবে না।
আনন্দবাজার/টি এস পি









