দেশি মাছ সংরক্ষণে সম্মিলিথভাবে কাজ করতে হবে। দেশে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ হারিয়ে যাচ্ছিল। মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা হারিয়ে যাওয়া ৩১ প্রজাতির মাছ নতুন করে ফিরিয়ে এনেছে।
গতকাল বুধবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি এ কথা বলেন।
পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহীদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দেশিয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উদ্বুদ্ধকরণ সভাটির আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, দেশিয় মাছ সংরক্ষণে লাইভ জিন ব্যাংক করা হয়েছে। দেশের কোন প্রান্তে দেশিয় মাছের সংকট দেখা দিলে জিন ব্যাংক থেকে মাছের পোনা এনে সংকটাপন্ন এলাকায় অবমুক্ত করা হবে। এতে কোন অঞ্চলে হারিয়ে যাওয়া মাছ আবার ফিরে আসবে। এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সুপরিকল্পিতভাবে মৎস্যসম্পদকে সামনে এগিয়ে নিয়ে আসার কারণে।
তিনি বলেন, মৎস্যজীবীদের বলবো পোনা মাছ যেন কেউ আহরণ না করে। সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে ছোট মাছ যেন নষ্ট না হয়ে যায়। মৎস্য খাতকে সবাই মিলে যত্নের সাথে লালন করতে হবে। দেশীয় মাছ ও শামুক যেন কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে"।
মন্ত্রী বলেন, একটা মা ইলিশ পাঁচ থেকে ছয় লাখ ডিম দেয়। সরকারের উদ্যোগে মা ইলিশ ও জাটকা নিধন বন্ধ করার কারণে এখন সারাদেশে বড় বড় ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। শীত মৌসুমেও ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান ও বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য দপ্তরের উপপরিচালক মো. আনিছুর রহমান তালুকদার। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. আবু নঈম মুহাম্মদ আবদুছ ছবুর, পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. হুমায়ুন কবীর, মৎস্য অধিদপ্তরের ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, দেশিয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক এস এম আশিকুর রহমান, পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।









