দেশের শেয়ারবাজার ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত টানা ৬৬ দিন বন্ধ ছিল প্রানঘাতী ভাইরাস করোনার জন্য। এতদিন পর ৩১ মে লেনদেন শুরু হলে সূচকের বড় উত্থান হয়।
তবে বড় দরপতন ঘটেছে পরের কার্যদিবসেই। মঙ্গলবারও শেয়ারবাজারে পতনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। প্রথম ১০ মিনিটের লেনদেন ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স পূর্বের কার্যদিবসের তুলনায় ১৩ পয়েন্ট কমে যায়।
অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ ৫ পয়েন্ট কমে। আর ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৫ পয়েন্ট কমেছে, মাত্র ১৫ মিনিটের লেনদেনে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ ৫ পয়েন্ট কমেছে।
এখন পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৪টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে ৩৭টির দাম কমেছে। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১১০টির দাম। ১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।
অন্যদিকে শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২৭ পয়েন্ট। ৫১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। লেনদেন অংশ নেওয়া ২৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে তিনটির, কমেছে সাতটির এবং ১৮টির সূচক অপরিবর্তিত।
আনন্দবাজার/এস.কে









