পুঁজিবাজার--
- ভুল হয়েছে বললেন খুঁজিস্তা
বিনিয়োগকারীদের ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৮৫ হাজার ৪০৬ টাকা সরানোর অভিযোগ উঠেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠান মডার্ন সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে। অর্থ সরানোর বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খুঁজিস্তা নূর-ই-নাহরীন বলেন, ডিএসইর বা আমাদের কোথায় কোন ভুল বা তথ্য মিসিং হয়েছে। এমনটি হওয়া অসম্ভব। গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থ সরানোর অভিযোগ বিষয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
এমডি খুঁজিস্তা নূর-ই-নাহরীন বলেন, প্রতি মাসেই রুটিন মাফিক ডিএসইর কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন আসে। গত মাসে জানুয়ারিতেও ডিএসই পরিদর্শনে এসেছিল। তখন মডার্ন সিকিউরিটিজের তথ্য সবকিছুই ঠিকঠাক পেয়েছিল ডিএসই। কোনো সমস্যা পায়নি। কিন্তু এবারেই ব্যক্তিক্রম হলো। প্রতিমাসের মতো এবারেও ডিএসই এসে আমাদের কাছ থেকে তথ্য নিয়েছে। সেই তথ্যের হিসেবে প্রায় ৭ কোটি টাকার মতো গড়মিল পেয়েছে ডিএসই। এ ধরনের গড়মিল অসম্ভব। এই হিসেবের কোথায় কোনো ভুল হচ্ছে। আমাদের কোনো ডাটা মিসিং হয়েছে।
মডার্ন সিকিউরিটিজে পূনরায় পরিদর্শনে ডিএসইকে আসতে অনুরোধ করেছি জানিয়ে খুঁজিস্তা নূর-ই-নাহরীন বলেন, কিন্তু ডিএসই বলছে আমাদের যেতে। তাই রবিবার সব তথ্য নিয়ে আমরা ডিএসইতে যাচ্ছি। আশা করি, রবিবার সবাই বসলে কোথায় কোন তথ্য মিসিং হয়েছে, তা ধরা পড়বে। তখন ভুল বোঝাবুঝিও অবসান হবে।
এদিক গত বুধবার বিনিয়োগকারীদের ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৮৫ হাজার ৪০৬ টাকা সরানোর অভিযোগ এনে মডার্ন সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে এক প্রতিবেদন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) পাঠিয়েছে। এছাড়া ডিএসইর পক্ষ থেকে মডার্ন সিকিউরিটিজের এমডি খুঁজিস্তা নূর-ই-নাহরীনকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে গ্রাহকের টাকা কাস্টমার অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ডিএসইর মনিটরিং অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিভাগের প্রধান ও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইর একটি দল মডার্ন সিকিউরিটিটে পরিদর্শন করেছে। ওই দল প্রমাণ পেয়েছে যে মডার্ন সিকিউরিটিজের কনসুলেটেড কাস্টমার অ্যাকাউন্টে গ্রাহকদের টাকার থাকার কথা ছিল ১০ কোটি ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৯২ টাকা। এর মধ্যে ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৮৫ হাজার ৪০৬ টাকার কোনো হদিস নেই। যা ডিএসইর স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি বিধিমালা লঙ্ঘন।









