বহুবছর ধরেই এদেশের রপ্তানি খাত ছিল পোশাকনির্ভর। দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ ভাগ আয় আসে পোশাক রপ্তানি করে। তবে এবছর এই খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ইতিবাচকতার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে না পারায় এর প্রভাব পড়েছে পুরো রপ্তানি খাতে। এতে পিছিয়ে পড়ছে এদেশের রপ্তানি বাণিজ্য।
কাজেই বৈদেশিক বাণিজ্যে অকুলন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে বাংলাদেশকে। চলতি অর্থবছরের শুরুর দিকে গত অর্থবছরের একই সময়ের সাথে তুলনা করলে দেখা যায় ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ পরিমাণ কম রপ্তানি হয়েছে এবছরে। এই অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ৯৩০ কোটি ডলার তুল্য পণ্য রপ্তানি করা হয়।
উল্লেখ্য সময়ে নিটওয়্যার ও ওভেন গার্মেন্টস মিলিয়ে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ৬০২ কোটি ডলারের মত। যেটি কিনা আগের বছরে অপেক্ষায় ৬ দশমিক ২১ শতাংশ কম। যদিও একক মাস হিসেব করলে এই ডিসেম্বরে আগেরবারের চেয়ে সার্বিক রপ্তানির পরিমাণ বেশি ছিল।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা জানান, পোশাক শিল্প সহ মাত্র গোটাকয়েক পণ্যের উপর নির্ভর করেই দাড়িয়ে আছে এদেশের রপ্তানি বাণিজ্য।বাংলাদেশ থেকে সাত'শোর অধিক পণ্য রপ্তানি হলেও অন্যান্য খাতে রপ্তানি আয় খুবই কম।
সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জানান, শুধুমাত্র একটি পণ্যের উপর নির্ভরতা দেশকে ঠেলে দিতে পারে ঝুঁকির পথে। বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করতে তিনি ভেনিজুয়েলার পতনের গল্পও মনে করিয়ে দিয়েছেন।
বাজার বিশ্লেষকেরা বহুদিন ধরেই রপ্তানি বাণিজ্যের ধারায় পরিবর্তন আনার পরামর্শ দিয়ে আসছেন অন্যথায় দেশের রপ্তানি বাণিজ্য টিকিয়ে রাখা মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
আনন্দবাজার/তাঅ









