- বিপাকে মধ্য-নিম্নবিত্ত
হবিগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে লিটার প্রতি ৫ টাকারও বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল। এতে করে বাড়তি দাম নিয়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় বিভিন্ন বাজারে সরকারের বেধে দেয়া মূল্যও মানছেন না ব্যবসায়ীরা। সংকট দেখিয়ে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত মূল্য। এমতাবস্থায় নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবী জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
যদিও গত ৬ ফেব্রুয়ারী প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১শ ৩৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১শ ৪৩ টাকা, বোতলজাত সয়াবিন প্রতি লিটার ১শ ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১শ ৬৮ টাকা এবং পামওয়েল প্রতি লিটার ১শ ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১শ ৩৩ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে হবিগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে অজ্ঞাত কারণে কয়েকদিন আগে থেকেই প্রতি লিটার গড়ে বেড়েছে ৫ টাকারও বেশি। গতকাল বুধবার বিকেলে হবিগঞ্জের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেল সর্বনিম্ন ১শ ৬৫ থেকে সর্বোচ্চ ১শ ৭০ টাকা, খোলা সয়াবিন সর্বনিম্ন ১শ ৪৫ থেকে সর্বোচ্চ ১শ ৫০ টাকা এবং পামওয়েল সর্বনিম্ন ১শ ৩৫ থেকে সর্বোচ্চ ১শ ৪০ টাকা ধরে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেক দোকানে সয়াবিনের সংকটও দেখা দিয়েছে।
সাধারণ ক্রেতারা জানান, সোয়াবিনের দাম প্রতি লিটারে গড়ে ৫ টাকা বেড়ে যাওয়ায় ক্রয় করতে হিমশিমে পড়েছেন অনেকেই। শুধু তাই নয়, সোয়াবিনের সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিক্রেতারা নিজেদের ইচ্ছেমত ক্রেতাদের কাছ থেকে দাম আদায় করছেন। এ বিষয়ে প্রতিদিন বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার দাবী জানান তারা।
হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজারের শাপলা ষ্টোর-এর স্বত্ত্বাধিকারী নাছির উদ্দিন বলেন, কোম্পানী কর্তৃপক্ষ যখন যে দামে বলে আমরা সে দামেই বিক্রি করি। শুনেছি, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। তাই বাজারে সোয়াবিন তেলের কিছু বাড়তি।









