এখন থেকে আফগানিস্তানের নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্রে বাবার নামের পাশাপাশি থাকবে মায়ের নামও। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত আইনের সংশোধনীতে স্বাক্ষর করেন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি। দীর্ঘদিন ধরে নারীদের পরিচয়ের স্বীকৃতির দাবিতে চলা আন্দোলনের জের ধরেই এই সংশোধনী আনা হয়েছে।
দেশটির এর আগের আইন অনুযায়ী, পরিচয়পত্রে কেবল বাবার নাম লেখা থাকত। আফগানিস্তানে প্রকাশ্যে নারীদের নাম উচ্চারণ প্রথাগতভাবে অবমাননাকর বলে বিবেচনা করা হয়। দেশটিতে ডাক্তারের চিকিৎসাপত্রে কয়েকজন নারী নিজেদের নাম ব্যবহার করায় মারধরের ঘটনাও ঘটেছে।
এইসব ঘটনার জের ধরে প্রায় তিন বছর আগে ‘আমার নাম কোথায়’ হ্যাশট্যাগের অধীনে একটি প্রচারণা শুরু হয়েছিল। ওই প্রচারণা সাড়া ফেলে বিশ্বজুড়ে সেলিব্রেটি আর পার্লামেন্ট সদস্যদের মধ্যে। ওই প্রচারণায় পরিচয়পত্রে বাবার পাশাপাশি মায়ের নাম প্রকাশের আহবান জানানো হয়।
দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি এ-সংক্রান্ত আইনের সংশোধনীতে স্বাক্ষর করার পর ‘আমার নাম কোথায়’ প্রচারণার প্রতিষ্ঠাতা লালেহ ওসমানি জানান, দীর্ঘদিনের সংগ্রামের পর এমন ফলাফলে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। কোনো সন্দেহ নেই যে সবার ঐক্যবদ্ধ অবিরাম সংগ্রামের ফসল আজকে আমাদের এই বিজয়।
আনন্দবাজার/টি এস পি








