কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। মনমুগ্ধ সূর্যমুখী ফুল দেখতে ভিড় করছেন সৌন্দর্যপ্রেমীরা। এদিকে বাজারে সয়াবিন তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়াই অন্যদিকে ক্যান্সার ও হৃদরোগ প্রতিরোধী অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন তারা। খরচ কম আর স্বল্পসময়ে অধিক লাভ পাওয়ায় খুশি চাষিরা। সূর্যমুখী ফুল চাষে সহযোগিতা করছে নাঙ্গলকোট উপজেলা কৃষি অফিস।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার রায়কোট দক্ষিণ ইউপির মন্তলী, শ্রীরামপুর, মক্রবপুর ইউপির সাহেদাপুর, ভুলুয়াপাড়া ও দৌলখাঁড়া ইউপির কান্দাল গ্রামের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের চাষ হয়েছে। থোকায় থোকায় ফুটে আছে সূর্যমুখী ফুল। ভালো ফলনে খুশি চাষি।
রায়কোট দক্ষিণ ইউপির মালিপাড়া গ্রামের শাহজাহান বলেন, বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়া ও কৃষি অফিসের সহযোগীতা তিনি ৩৩ শতক জায়গাতে সূর্যমুখীর চাষ করছেন তিনি। বর্তমানে ফুল আসতে শুরু করেছে।
মক্রবপুর ইউপির সাহেদাপুর গ্রামের ফরিদ উল্যাহ বলেন, তিনি ২৪ শতকের মধ্যে সূর্যমুখীর চাষ করেছেন। সকল কিছু উপজেলা কৃষি অফিস দিয়েছে। ফলন অনেক ভালো হয়েছে। নিজেরা তেল উৎপাদন করলে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজারেও বিক্রি করা যাবে।
মক্রবপুর ইউপির উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ইউপিতে ৩জন কৃষককে সূর্যমুখী প্রণোদনা দেয়া হয়। মোট ৪৮ শতক জায়গাতে সূর্যমুখীর চাষ করেন। উপজেলা কৃষি অফিসারের নিদর্শনায় আমরা সার্বক্ষণিক দেখাশোনা করি। এতে খরচ কম, ফলনও অনেক ভালো হয়েছে।
রায়কোট দক্ষিণ ইউপির উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আব্দুল জলিল বলেন, চলতি মৌসুমে তার ব্লকে ৬২ শতকে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। বর্তমানে ফুল আসতে শুরু করেছে। আশা করছি ফলন ভালো হবে।
উপজেলা কৃষি অফিসার জাহিদুল ইসলাম বলেন, বাজারে সয়াবিন তৈলের অনেক চাহিদা। দামও অনেক বেশি। পাশাপাশি এ সূর্যমুখী ফুলটি হৃদরোগ প্রতিরোধী অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন একটি ফুল। তাই এ উপজেলার কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে এ ফুল চাষ করা হচ্ছে। যা নিজের পরিবারের তেলের চাহিদা মিটিয়ে বাজারেও বিক্রি করতে পারবেন।









