করোনাভাইরাসের প্রভাবে অন্যান্য খাতে উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও ওষুধ খাতে উৎপাদন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই বিনিয়োগকারীদের বেশি মনোযোগ এ খাতে। গতকাল লেনদেনে একক নেতৃত্ব ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের।
গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট লেনদেনের ২২ শতাংশই ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের দখলে। এ খাতে দরপতনে ছিল না কোনো কোম্পানি। তবে দর অপরিবর্তিত ছিল দুটি কোম্পানির। ১৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে স্কয়ার ফার্মা। দর বেড়েছে ছয় টাকা ৭০ পয়সা। এছাড়া ওরিয়ন ইনফিউশনের লেনদেন হয় ছয় কোটি ৮৭ লাখ টাকা। দর বেড়েছে তিন টাকা ৪০ পয়সা। বীকন ফার্মার প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে সাড়ে তিন টাকা। দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ। দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ২১৪ শতাংশ লেনদেন হয় প্রকৌশল খাতে। এ খাতে দরপতন হয় ইস্টার্ন কেবল্স ও সিঙ্গার বিডির। বাকি কোম্পানিগুলোর দর বেড়েছে। অ্যাপোলা ইস্পাতের দর অপরিবর্তিত ছিল। ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেড়ে নাহি অ্যালুমিনিয়াম ও ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়ে গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল দরবৃদ্ধিতে নবম অবস্থানে উঠে আসে।
বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে দুই কোম্পানির দরপতনে এবং দুটির দর অপরিবর্তিত ছিল। ভিএফএস থ্রেড ডায়িংয়ের পাঁচ কোটি ৬৫ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ৭০ পয়সা। ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়েছে অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের দর। ব্যাংক খাতে একমাত্র পূবালী ব্যাংকের দরপতন হয়। ব্র্যাক ব্যাংকের সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে দুই টাকা ৬০ পয়সা। বিমা খাতে চারটি কোম্পানি দরপতনে ছিল। তবে ১০ শতাংশ বেড়েছে জনতা ইন্স্যুরেন্সের দর। খাদ্য খাতে একটি কোম্পানি দরপতনে ছিল। ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ বেড়ে গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো অষ্টম অবস্থানে উঠে আসে। আইটি খাতের জেনেক্স ইনফোসিস দরপতনে ছিল। টেলিযোগাযোগ খাতের গ্রামীণফোনের সাড়ে ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে তিন টাকা ৪০ পয়সা। ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের পেনিনসুলা চিটাগাং ও সিরামিক খাতের মুন্নু সিরামিক দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় অবস্থান করে।
আনন্দবাজার/ টি এস পি









