গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনে আর্থিক খাতে নৈতিকতার কোনো বিকল্প নেই। গতকাল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম) ও যুক্তরাষ্ট্রের চার্টার্ড গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট অ্যানালিস্টের (সিজিআইএ) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২০’-এ আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেন বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক হিসেবে আমি সবসময় পেশাদার আর্থিক বিশ্লেষকদের ভূমিকাকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। তবে এক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের পাশাপাশি একাগ্রতা ও নৈতিকতা থাকতে হবে। আমাদের নৈতিকতাসম্পন্ন দক্ষ জনবল প্রয়োজন। নৈতিকতা না থাকলে শুধু দক্ষ জনবল দিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা সম্ভব হবে না। সভাপতির বক্তব্যে বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী বলেন, আমাদের এ খাতে নৈতিকতার বড়ই অভাব। অধিকাংশ কোম্পানিই গুণগত মানসম্পন্ন আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করে না। নিরীক্ষকরাও অধিকাংশ ক্ষেত্রে গুণগত মানসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রত্যয়ন করছে না। অন্যদিকে একটি কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনার ক্ষেত্রে ইস্যু ব্যবস্থাপকেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যদি ইস্যুয়ার কোম্পানি, ইস্যু ব্যবস্থাপক ও নিরীক্ষক তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন না করে, তাহলে নিয়ন্ত্রকের পক্ষে ভূমিকা রাখাটা কঠিন হয়ে পড়ে। আব্দুল মতিন পাটোয়ারি বলেন, নৈতিকতা থাকলে আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব।
আনন্দবাজার/ টি এস পি









