কুষ্টিয়ায় আখ চাষিদের প্রশিক্ষণ দিতে চলতি বছর সুগার মিলে একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন যৌথভাবে চিনিশিল্পের উন্নয়নে পাইলট প্রজেক্টের মাধ্যমে কাজ করে একটি টেকসই মডেল নির্ধারণ করবে, যা পরবর্তীতে প্রান্তিক চাষিদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা।
এ উদ্যোগ সফল হলে দেশে অধিক চিনি আহরণযোগ্য উন্নতজাতের আখ চাষ বাড়বে। এতে একদিকে যেমন চালু চিনিকলগুলোতে উৎপাদন অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকলগুলো আবারও চালু করা সম্ভব হবে। বুধবার কুষ্টিয়ায় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর (বিএটিবিসি) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ে ‘আখ চাষের টেকসই মডেল’ শীর্ষক কর্মশালায় শিল্প সচিব এ কথা বলেন। আখের টেকসই জাত উদ্ভাবন ও ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর সহযোগিতায় চাষিদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে আখের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনকে শিল্প সচিব সাধুবাদ জানান।
এছাড়া তিনি সংশ্লিষ্টদের স্বল্প-মধ্য-দীর্ঘমেয়াদী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের পাশাপাশি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও একাগ্রতার প্রদর্শনপূর্বক সুগারমিলগুলোর ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
কীভাবে আখের যথাযথ ফলন নিশ্চিত করা যায় তা নিয়ে দিনব্যাপী এ কর্মশালায় আলোচনা হয়। ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন যৌথভাবে চিনি শিল্পের উন্নয়নে পাইলট প্রজেক্টের মাধ্যমে কাজ করে একটি টেকসই মডেল নির্ধারণ করবে, যা পরবর্তীতে প্রান্তিক চাষিদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান অপু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুগার রিসার্স ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. আমজাদ হোসেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আনোয়ারুল আলম, চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের পরিচালক আশরাফ আলী। বন্যহাতি রক্ষায় জাবিতে ব্যতিক্রমী পাপেট শো ইখতিয়ার মাহমুদ, জাবি
দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যহাতি হত্যার প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন ও সচেতনতামূলক পাপেট শো অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে ‘ডীপ ইকোলজি এন্ড স্নেক রেসকিউ’ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনটির অর্ধশতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধনে বন্যহাতি হত্যার প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি সচেতনা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় হাতির করিডোর দখলমুক্ত কর, নির্বিচারে হাতি হত্যা আর নয়, হাতির নিরাপদ বাসস্থান চাই, ভালো থাকুক মানুষ- ভালো থাকুক প্রকৃতির সন্তানেরা প্রভৃতি প্ল্যাকার্ড ধারণ করতে দেখা যায়। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে ডিইএসআরএফের সভাপতি মাহফুজুর রহমান বলেন, একটি হাতিকে প্রজননক্ষম হতে ৮ বছর সময় লাগে এবং বাচ্চা প্রসব করতে ২২ মাস সময় লাগে। অথচ দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যহাতি হত্যা করা হচ্ছে। গত কয়েকদিনে প্রায় ৫টি মৃত হাতি শনাক্ত করা হয়েছে। দেশে এখন হাতির সংখ্যা ২৫০ এর কিছু বেশি হবে। এরকম একটি বিপন্ন প্রজাতিকে এভাবে নির্যাতন করতে থাকলে কিছুদিন পর আর জীবন্ত হাতি খুঁজে পাওয়া যাবে না। এ সময় কাকতাড়–য়া পাপেট থিয়েটার সচেতনামূলক পাপেট প্রদর্শনী করে। পাপেট প্রদর্শনীতে হাতি রক্ষায় এগিয়ে আসা ও হাতির প্রতি সহানুভূতিশীল হতে আহব্যান জানানো হয়।
আনন্দবাজার/শহক








