করোনাভাইরাসের কারণে বদলে গেছে দেশের ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলোর হোমপেজ। বিউটি, ফ্যাশন, ইলেকট্রনিকস আইটেমের জায়গা এখন দখল করেছে পেঁয়াজ, রসুন, চাল, ডাল, তেল, ওষুধ ইত্যাদি নিত্যপণ্য। আগের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে অর্ডার।
করোনা পরিস্থিতিতে হাটবাজারগুলো একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খোলা থাকছে। আবার করোনা ঝুঁকিতে অনেকেই এড়িয়ে চলছে হাটবাজার। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ঘরে বসে অর্ডার করছেন ওয়েবসাইটগুলোতে।
তবে করোনা পরিস্থিতিতে ডেলিভারি ম্যানের অভাবে বিঘ্ন হচ্ছে সরবরাহ। ফলে ক্রেতাদের পণ্য ডেলিভারি দিতে সময় লাগছে বেশি। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) জানায়, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে ই-কমার্স খাতে সামগ্রিকভাবে বিক্রি কমেছে ৮০ শতাংশেরও বেশি। যেটুকু বেচাকেনা হচ্ছে, তা কেবল নিত্যপণ্য।
আজকের ডিল, রকমারি, পিকাবো, বাংলাদেশ দারাজ, অথবা, চালডাল, আজকের ডিল, অথবা, বাগডুম, প্রিয়শপ বাংলাদেশের জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট। এসব ওয়েবসাইটে আগে জামা-কাপড়, জুতা, ঘড়ি, কসমেটিকস বেশি বিক্রি হতো। তবে এখন এসব পণ্যের জায়গা দখল করেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য।
প্রিয়শপ ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিকুল আলম খান বলেন, প্রিয়শপে আগে সাধারণত জামা-কাপড় ও ই-গ্যাজেট পণ্য বেশি বিক্রি হতো। তবে গত ১৫ দিনে প্রিয়শপের বিক্রি হওয়া ৯০ শতাংশ পণ্যই ছিল নিত্যপণ্য ও ওষুধ। পাশাপাশি মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার, মশকরোধক পণ্য এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ, এসিআই, ইউনিলিভার বাংলাদেশ, রেকিট বেনকিজার, ইফাদ, তীর, ডিপ্লোমা, হরলিক্স, স্কয়ার ফুড, ফ্রেশ, রূপচাঁদা, সেফ, বসুন্ধরা ও সিটি ব্র্যান্ডের পণ্য ঢাকাসহ সারা দেশে পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা করছি আমরা।
আনন্দবাজার/ টি এস পি









