চলতি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস থেকে প্রবৃদ্ধির যে নেতিবাচক ধারা চালু হয়েছিল , দীর্ঘ আট মাসেও তা কাটিয়ে ওঠা যায়নি। অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি আট মাসে বিশ্ববাজারে ২ হাজার ৬২৪ কোটি ১৮ লাখ ৩০ হাজার ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ। যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে পণ্য রফতানি হয়েছিল ২ হাজার ৭৫৬ কোটি ২৭ লাখ ৯০ হাজার ডলারের। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে রফতানি কম হয়েছে ১৩২ কোটি ৯ লাখ ৬০ হাজার ডলারের।
গতকাল হালনাগাদ রফতানি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। ইপিবির হিসেব অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে আট মাসে রফতানি কমেছে ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রফতানির নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারা শুরু হয়, যা অব্যাহত আছে আট মাস পরেও।
চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ইতিবাচক। জুলাইয়ে রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। জুলাই-আগস্ট দুই মাসে শুরু হয় নেতিবাচক ধারা। ওই দুই মাসে রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ঋণাত্মক শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ। তিন মাস শেষে প্রবৃদ্ধি ছিল ঋণাত্মক ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে রফতানি প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। অর্থবছরের পাঁচ মাস শেষেও রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল নেতিবাচক। জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ঋণাত্মক ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এরপর চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে প্রবৃদ্ধি হয় ঋণাত্মক ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের আট মাস শেষে পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি বেড়েছে ২৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। চামড়াজাত পণ্যের রফতানি কমেছে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। এদিকে প্রধান পণ্য পোশাক চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রফতানি হয়েছে ২ হাজার ১৮৪ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময়ে রফতানি হয় ২ হাজার ৩১২ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার ডলারের পোশাক। এ হিসাবে পোশাক রফতানি কমেছে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
আনন্দবাজার/তা.তা









