ঢাকার পর চট্টগ্রামে অভিযান চালানো হয় আদার দাম বেশি হওয়ার কারণে। এই অভিযানের পর আদার দাম কিছুটা কমেছে। সাত দিনের মধ্যে কেজিতে আদার দাম ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে রাজধানীর খুচরা বাজারে। কিন্তু এক মাসের ব্যবধানে এখনও প্রায় দ্বিগুণ বেশি আদার দাম।
এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা করোনা ভাইরাসের সুযোগ নিয়ে কারসাজির মাধ্যমে আদার দাম বাড়িয়ে দেয়। একশ টাকারও কম দামে কিনে আনা আদার দাম গিয়ে দাড়ায় সাড়ে তিনশ টাকায়। দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্টরা অভিযান চালায় ঢাকার পাইকারি বাজার শ্যামবাজার ও মিরপুর শাহ আলী বাজার এবং চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে। যার ফলে ভোক্তারা সুফল পেতে শুরু করেছে।
হঠাৎ অস্বাভাবিক ভাবে আদার দাম বাড়ায় ২২ এপ্রিল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় শ্যামবাজারে অভিযান চালায়। অভিযানের ফলে জানা যায় একশ টাকার নিচে ব্যয় হচ্ছে প্রতি কেজি আমদানি করতে।
শ্যামবাজার ও মিরপুর শাহ আলী পাইকারি বাজারের একাধিক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয় এই অভিযানে। তার সাথে শ্যামবাজারের এক ব্যবসায়ী ২৩৫ টাকা কেজি বিক্রি করা আদা ১২০ টাকা করে বিক্রির ঘোষণা দেন। কিন্তু তার পরেও আদার দাম কমছিল না খুচরা পর্যায়ে। তবে ভোক্তাদের রোজার কেনাকাটা শেষ হওয়ার পর কমতে শুরু করেছে আদার দাম।
আনন্দবাজার/এস.কে









