একসময়ের বিশ্বের শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ থাইল্যান্ডের চালের এখন মন্দাবস্থা। বৈশ্বিক চালের বাজারের মাত্র ১৫ শতাংশ এখন থাইল্যান্ডের দখলে।
২০১৭ সালে রেকর্ড চাল রফতানি করেছিল থাইল্যান্ড। এর পর থেকেই দেশটির চাল রফতানিতে মন্দা দেখা দিয়েছে। গত দুই বছর ধারাবাহিক পতনের পর চলতি বছরেও একই অবস্থা বজায় থাকবে বলে পূর্বাভাস করেছে দেশটির রাইস এক্সপোর্ট গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, চলতি বছরে থাইল্যান্ডের চাল রফতানি কমে গত সাত বছরের সর্বনিম্নে চলে আসতে পারে।
পণ্য বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাথের (থাইল্যান্ডের মুদ্রা) শক্তিশালী অবস্থানে স্থানীয় বাজারে চালের মূল্য বেড়েছে। ফলে বেড়েছে রফতানি মূল্য।এতে পণ্যটির অন্যান্য শীর্ষ রফতানিকারক দেশের সঙ্গে থাইল্যান্ডের প্রতিযোগিতা দুর্বল হয়ে পড়বে, যা সামগ্রিকভাবে খাদ্যপণ্যটি রফতানি কমাতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করবে।
চাল রফতানিতে থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগী ভারত ও ভিয়েতনাম,খাদ্যপণ্যটির রফতানিতে ভারতের অবস্থান প্রথম, আর ভিয়েতনাম রয়েছে থাইল্যান্ডের নিচে, তৃতীয় অবস্থানে। বর্তমানে ভারত ও ভিয়েতনামে পণ্যটির রফতানি মূল্য থাইল্যান্ডের চেয়ে ২০ শতাংশ কম। আমদানিকারক দেশগুলো থাইল্যান্ডের পরিবর্তে বিকল্প বাজারে ঝুঁকছে।
থাইল্যান্ডের চালের দ্বিতীয় শীর্ষ ক্রেতা চীন। বিদায়ী বছরে চীনের বাজারে পণ্যটির রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। একই অবস্থা ইন্দোনেশিয়ার ক্ষেত্রেও। এদিকে আফ্রিকার দেশগুলো ঝুঁকছে তুলনামূলক সস্তা বাজারের দিকে। সব মিলিয়ে থাইল্যান্ডের চাল রফতানি বর্তমানে গভীর সংকটের মধ্যে রয়েছে।
আনন্দবাজার/জায়েদ









