করোনার প্রভাবে ধাপে ধাপে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও দাম কমেছে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির। এদিকে রাজধানীর বাজার থেকে উদাও হয়ে গেছে দেশি মুরগি। আজ শুক্রবার রাজধানীর বাজারগুলোতে ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। বাজার ঘুরে দেখা যায়, ফার্মের বাদামি রঙয়ের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা। আর ফার্মের সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা।
এদিকে বাজার ভেদে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১২০ থেকে ১২৫ টাকা। লাল লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২০০ থেকে ২১০ টাকা। আর পাকিস্তানি কক মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২২০ থেকে ২৩০ টাকা। তবে বাজারে নেই কোন দেশি মুরগি।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা এবং মাসের ব্যবধানে কমেছে ৫০ টাকা পর্যন্ত। আর ব্রয়লার মুরগির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে ২০ টাকা পর্যন্ত।
এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ’র (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম কমেছে সাড়ে ৭ শতাংশ এবং মাসের ব্যবধানে কমেছে ২১ শতাংশ। আর ব্রয়লার মুরগির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় আড়াই শতাংশ এবং মাসের ব্যবধানে ১৬ শতাংশ কমেছে।
ডিম ও মুরগির দাম কমলেও আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে গরু ও খাসির মাংস। বাজারভেদে গরুর মাংসের কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা এবং খাসির মাংসের কেজি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
ওয়ারিতে ১০০ টাকা কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করা আজিজ বলেন, শুধু ব্রয়লার না এখন সব মুরগির দামই কিছুটা কমেছে। তবে ব্রয়লার মুরগির বিক্রি অনেক কমে গেছে। যে কারণেই হোক মানুষ এখন ব্রয়লার মুরগি কম খাচ্ছে। বিপরীতে পাকিস্তানি কক মুরগির বিক্রি কিছুটা বেড়েছে।
আনন্দবাজার/রনি









