বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অবিষ্মরণীয় এক নাম সালমান শাহ্। সিনেমাপাড়ায় খুব অল্প সময়ের বিচরণেই যিনি হয়ে উঠেছিলেন স্বপ্নের নায়ক। ১৯৯৬ সালের আজকের এই দিনে (৬ সেপ্টেম্বর) সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি।
মাত্র তিন বছরে ২৭টি সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়েই সালমান শাহ্ হয়ে উঠেছিলেন বাংলা সিনেমার অবিচ্ছেদ্য এবং অনস্বীকার্য এক নায়ক। যে কারণে মৃত্যুর ২৪ বছর পরেও তাঁর মৃত্যুশোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি সিনেমাপ্রেমীরা।
৯০ দশকে একদম হুট করেই এসছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রে। ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে ঢালিউডে পা রেখেছিলেন তিনি। এরপর দর্শকদের মন জয় করে একের পর এক উপহার দিয়েছেন সুপারহিট সিনেমা।
সালমান শাহ নামে পরিচিত হলেও তার প্রকৃত নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। ১৯৭০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরী।
একেবারে শুরুতে ছোট পর্দা দিয়ে মিডিয়া জগতে পা রেখেছিলেন সালমান শাহ্। 'আকাশ ছোঁয়া', 'দোয়েল', 'সব পাখি ঘরে ফেরে', 'সৈকতে সারস', 'নয়ন' ও 'স্বপ্নের পৃথিবী' নাটকে তাকে অভিনয় করতে দেখা গেছে। এছাড়া প্রচুর বিজ্ঞাপনও করেছেন তিনি।
সালমান শাহ অভিনীত সিনেমাগুলো হলো- কেয়ামত থেকে কেয়ামত, তুমি আমার, অন্তরে অন্তরে, কন্যাদান, জীবন সংসার, চাওয়া থেকে পাওয়া, সুজন সখী, বুকের ভেতর আগুন, এই ঘর এই সংসার, স্নেহ, বিচার হবে, প্রেমযুদ্ধ, মহা মিলন, তোমাকে চাই, বিক্ষোভ, আশা ভালোবাসা, মায়ের অধিকার, আঞ্জুমান, আনন্দ অশ্রু, প্রেম পিয়াসী, সত্যের মৃত্যু নেই, প্রিয়জন, শুধু তুমি, স্বপ্নের পৃথিবী, স্বপ্নের নায়ক, দেন মোহর ও স্বপ্নের ঠিকানা। এছাড়া 'বুকের ভেতর আগুন' ছিল সালমান অভিনীত শেষ সিনেমা।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস









