করোনাভাইরাসের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিমান পরিচালনা খাত। গত কয়েকে দিনে ২৯ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ (আইএটিএ)। ধীরে ধীরে কমছেই যাত্রীর সংখ্যা। ফলে আয়ও কমেছে অনেকটাই।
এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ভাইরাসের কারণে আকাশপথে যাত্রী পরিবহন কমে গেছে অন্তত ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। এ বছরও বিমানের যাত্রী চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছিল এই সংস্থাটি। কিন্তু সেই বক্তব্য সংশোধন করে তারা জানিয়েছে, গত এক দশকের মধ্যে, অর্থাৎ ২০০৮-০৯ সালের অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে প্রথমবারের মতো এ বছর যাত্রী পরিবহন কমছে।
ভাইরাসের জেরে কয়েক ডজন এয়ারলাইন তাদের চীনগামী ফ্লাইট বাতিল করেছে। এছাড়া প্রতিষেধকবিহীন এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে চীনের অন্তত ৭৮ কোটি মানুষকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় রেখেছে জিনপিং প্রশাসন। বাতিল করা হয়েছে দেশটির অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সব প্যাকেজ ট্যুর।
আইএটিএ বলছে, ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এখন পর্যন্ত চীনেই বেশি। কিন্তু এটি এশিয়ার অন্যান্য দেশে আরও ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়লে এয়ারলাইনগুলোর ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে।
অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা কান্তাস এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, করোনা সংকটে এই আর্থিক বছরের দ্বিতীয়ভাগে তাদের কর-পূর্ব মুনাফা একশ’ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কম হতে পারে। এছাড়া এয়ার ফ্রান্স-কেএলএম জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে তাদের আয় ২১৬ মিলিয়ন ডলার কমে যাবে।
আনন্দবাজার/ রনি









