বেড়েই চলছে চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা। চীনের প্রেসিডেন্ট সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দেয়ার পরে এবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাদের তিন বাহিনী প্রধানের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন। মঙ্গলবার দু'দফা বৈঠক করেন তিনি।
সেনাবাহিনীর কৌশল ঠিক করতে প্রথমে বৈঠক করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত এবং তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে। কূটনৈতিক অবস্থান ঠিক করতে তারপর আলাদা করে বৈঠক করেন বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গেও।
এর আগে মোদি লাদাখ নিয়ে একদফা বৈঠক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে। তিনবাহিনীর প্রধান এবং চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াতের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার নিরাপত্তার বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখেন তারা।
ভারতের স্থানীয় গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘন করে ভারতে ঢুকে পড়া নিয়ে একাধিকবার চীনের সঙ্গে সঙ্ঘাতে জড়িয়েছে ভারত। চলতি মাসের গোড়ার দিকে তা নিয়ে নতুন করে দু'দেশের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়।
এদিকে, মঙ্গলবারই লাদাখ সীমান্ত এলাকা থেকে বেশ কিছু স্যাটেলাইট ইমেজ সামনে এসেছে। তাতে দেখা গেছে, প্যাংগং থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে তিব্বতের নারি গানসা বিমানঘাঁটিতে হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান অবতরণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্মাণকাজ চলছে।
বিমানঘাঁটির টারম্যাকে সারি দিয়ে চারটি যুদ্ধবিমান দাঁড়িয়ে থাকতেও দেখা গেছে একটি ছবিতে। সেগুলো চীনা বাহিনীর জে-১১ এবং জে-১৬ যুদ্ধবিমান হতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের, যা কি-না ভারতের সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানের সমকক্ষ।
আনন্দবাজার/শহক








