করোনায় পুরো পৃথিবী আজ নিস্তব্ধ। স্থবির হয়েগেছে সব কিছু। জনশূন্য রাস্তাঘাট আবার কোথাও কোথাও ভূতের নগরী। এমন অবস্থায় বদলে গেছে আমেরিকা। আক্রান্তের সংখ্যায় পৃথিবীর যে কোন দেশকে ছাড়িয়েছে এই দেশটি। বন্ধ রাখা হয়েছে সবধরণের খেলাধূলা। ইতোমধ্যে ফোর্বস জানিয়েছে শুধু ক্রীড়াখাতেই ৫ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে দেশটির।
গত ১১ মার্চ থেকে আমেরিকায় সব ধরণের ক্রীড়াযজ্ঞ বন্ধ রাখা হয়েছে। সিডিসি জানায়, ৫০ এর বেশি মানুষের সমাগম হয় এমন সব খেলাই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মে'র আগে ফিরছে না কোনো খেলাধূলা। ফোর্বসের হিসাবে ক্ষতি কমপক্ষে ৫ বিলিয়ন। টিকিট বিক্রি, স্পন্সরশিপ সাথে টিভি রাইট থেকে হারাতে হবে এই পরিমাণ টাকা। বেসবলে ২ বিলিয়ন, এনবিএতে ১.২ বিলিয়ন আর এনসিডাবল এ'র ক্ষতি ১ বিলিয়ন ডলার। এনএইচএল, নাসকার আর এমএলএস মিলিয়ে আরও ৯০০ মিলিয়ন।
শুধু তাই না। ক্ষতি আছে আরও। সব কিছুই বন্ধ। লোক সমাগম নাই। গেল বছর ন্যাশভিলের এনএফএল ড্রাফ্টে মানুষ জড়ো হয়েছিলো লাখ। ঐ এলাকার ইকোনমিক আক্টিভ্যাটি ছাড়িয়েছিলো ২২৪ মিলিয়নের মত।
এনবিএতে কালেক্টিভ বার্গেইনিং অ্যাগ্রিমেন্টের কারণে খেলা না হলে বেতন কাটার নিয়ম আছে। ৮০ ভাগ খেলা শেষ। তারপরও গড়ে দেড় মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হতে পারে খেলোয়াড়দের। সব চেয়ে বেশি বেতন পাওয়া খেলোয়াড় স্টেফ কারি একাই হারাবেন প্রায় আট মিলিয়ন ডলার। কাটা হবে কোচদের বেতনও তবে ঘন্টা ভিত্তিতে কাজ করারা পাবেন পুরো টাকা।এছাড়া যত দেরি ততই ক্ষতি। শেষমেস মৌসুম এখানেই শেষ হয়ে গেলে ক্ষতির পরিমাণ ছাড়াবে ১০ বিলিয়ন ডলার।
আনন্দবাজার/শহক









